Published By : Admin |
February 24, 2024 | 12:30 IST
Share
Inaugurates, dedicates to nation and lays foundation stone for multiple development projects worth over Rs 34,400 crore in Chhattisgarh
Projects cater to important sectors like Roads, Railways, Coal, Power and Solar Energy
Dedicates NTPC’s Lara Super Thermal Power Project Stage-I to the Nation and lays foundation Stone of NTPC’s Lara Super Thermal Power Project Stage-II
“Development of Chhattisgarh and welfare of the people is the priority of the double engine government”
“Viksit Chhattisgarh will be built by empowerment of the poor, farmers, youth and Nari Shakti”
“Government is striving to cut down the electricity bills of consumers to zero”
“For Modi, you are his family and your dreams are his resolutions”
“When India becomes the third largest economic power in the world in the next 5 years, Chhattisgarh will also reach new heights of development”
“When corruption comes to an end, development starts and creates many employment opportunities”
‘বিকশিত ভারত বিকশিত ছত্তিশগড়’ কর্মসূচিতে আজ এক ভিডিও মঞ্চে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তিনি ৩৪,৪০০ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাসের পাশাপাশি কয়েকটিকে আবার উৎসর্গ করেন জাতির উদ্দেশে। প্রকল্পগুলির আওতায় বিশেষভাবে জোর দেওয়া হবে রেল, সড়ক, কয়লা, বিদ্যুৎ এবং সৌর জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো ক্ষেত্রগুলির উন্নয়নে।
প্রধানমন্ত্রীর আজকের কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে বিশেষ জোর দিয়ে তিনি বলেন যে দেশের যুব সমাজ, নারী সমাজ, দরিদ্র সাধারণ মানুষ এবং কৃষিজীবীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে ‘বিকশিত ছত্তিশগড়’ গড়ে তোলা হবে। এই নতুন ছত্তিশগড়ের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে দেবে নতুন নতুন অত্যাধুনিক পরিকাঠামো। আজকের এই প্রকল্পগুলি থেকে ছত্তিশগড়বাসীর জীবনে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধারও প্রসার ঘটবে।
জাতীয় তাপবিদ্যুৎ নিগম (এনটিপিসি)-এর বৃহদায়তন তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প জাতির উদ্দেশে উৎসর্গকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুতের সুযোগ এখন নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে অনেক কম খরচে। ১,৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের আজ শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। ছত্তিশগড় রাজ্যটিকে সৌর জ্বালানি উৎপাদনের এক বিশেষ কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে নাগরিকদের ব্যয়ের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনতে বিশেষভাবে সচেষ্ট। তিনি জানান যে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর’ কর্মসূচির আওতায় বিনা ব্যয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১ কোটি পরিবার এর ফলে উপকৃত হতে যাচ্ছে।
|
রুফটপ সোলার প্যানেল সংস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কথাও আজ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এর সাহায্যে সংস্থাপিত সৌর প্যানেলগুলি থেকে উৎপাদিত ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পরিবারগুলি বিনা খরচে ব্যবহার করতে পারবে। উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরকার ক্রয় করে নেবে তাদের কাছ থেকে। যার ফলে, সংশ্লিষ্ট নাগরিকরা হাজার হাজার টাকার অতিরিক্ত আয় ও উপার্জনের সুযোগও লাভ করবেন। শ্রী মোদী আরও বলেন যে ‘অন্নদাতা’রা যাতে ‘শক্তিদাতা’র ভূমিকাও পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হল সরকারের এক অন্যতম বিশেষ লক্ষ্য। এর আওতায় পতিত ও অনুর্বর কৃষি জমিতে ছোট ছোট সৌর প্রকল্প স্থাপনের জন্য কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
ছত্তিশগড়ে ডবল ইঞ্জিন সরকারের দেওয়া গ্যারান্টির বাস্তবায়ন প্রচেষ্টার বিশেষ প্রশংসাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই রাজ্যের লক্ষ লক্ষ কৃষক তাঁদের দু’বছরের বকেয়া বোনাস ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছেন। কেন্দুপাতা সংগ্রহের মাধ্যমে যাঁরা জীবিকা নির্বাহ করতেন, তাঁদের বিশেষ ভাতা দেওয়ার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও ইতিমধ্যেই পালন করা হয়েছে। অন্যদিকে, ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ এবং ‘হর ঘর নল সে জল’ – এই দুটি কর্মসূচিও জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। পরীক্ষা গ্রহণের সময় যে সমস্ত অসাধুতার আশ্রয় গ্রহণ করা হত, সে সম্পর্কে তদন্ত ও অনুসন্ধান চালিয়ে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ‘মেহতারি বন্দন যোজনা’র জন্য রাজ্যের মহিলাদের অভিনন্দিত করেন প্রধানমন্ত্রী।
শ্রী মোদী বলেন, ছত্তিশগড়ের কৃষকরা কঠোর পরিশ্রমী। এই রাজ্যটির তরুণ-তরুণীদের মধ্যে মেধা ও দক্ষতারও কোন অভাব নেই। তাছাড়া, প্রাকৃতিক সহায়সম্পদে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ ছত্তিশগড় রাজ্যটি। এ সমস্ত কিছুই ‘বিকশিত ছত্তিশগড়’ গড়ে তুলতে বিশেষভাবে সাহায্য করবে বলে তিনি মনে করেন। এই রাজ্যটি বহুদিন ধরে পিছিয়ে থাকার জন্য পূর্ববর্তী সরকারগুলির বংশানুক্রমিক রাজনৈতিক স্বার্থকে দায়ী করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মোদীর কাছে এই রাজ্যের সকলেই হলেন তাঁর নিজের পরিবার-পরিজন এবং তাঁদের সকল স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন মোদীর কাছে এক সঙ্কল্প বিশেষ। এই কারণেই ‘বিকশিত ভারত’ এবং ‘বিকশিত ছত্তিশগড়’-এর স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে তিনি দৃঢ় প্রচেষ্ট।
|
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর সেবক হিসেবে আমি তাঁদের কাছে কঠোর ও নিরলস শ্রমের গ্যারান্টি দান করতে পারি। বিশ্বে ভারতের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করে তোলার যে গ্যারান্টি তিনি ২০১৪ সালে দিয়েছিলেন, তারও পুনরাবৃত্তি করেন এদিন। তিনি ঘোষণা করেন যে দরিদ্র নাগরিকদের অর্থ যারা লুন্ঠন করে নিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি কখনই পিছিয়ে যাবেন না। তাই, সরকারি অর্থ দরিদ্র সাধারণ মানুষদের কল্যাণেই তিনি ব্যবহার করতে আগ্রহী। এইভাবেই দরিদ্র সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে রেশন, বিনা খরচে চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা, সুলভ ওষুধ, বাসস্থান, পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশ্রুত জল, গ্যাস সংযোগ এবং শৌচাগারের ব্যবস্থা করতে তিনি বিশেষভাবে উদ্যোগী হয়েছেন। ‘বিকশিত ভারত সঙ্কল্প যাত্রা’র গাড়িটি পৌঁছে যাচ্ছে দেশের প্রতিটি গ্রামে। এর মাধ্যমেই দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ‘মোদী গ্যারান্টি’র বার্তা।
|
গত ১০ বছরের ‘মোদী গ্যারান্টি’ প্রসঙ্গটির উল্লেখ প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ব প্রজন্মগুলির স্বপ্ন ও আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নের মাধ্যমে এক নতুন ও উন্নত ভারত গড়ে তুলতে তিনি স্থির সঙ্কল্প এবং এই নতুন ভারতেরই অভ্যুদয় ঘটছে পর্যায়ক্রমে। প্রসঙ্গত, ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ কর্মসূচি এবং আধুনিক ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী বলেন যে কেন্দ্রীয় সরকার প্রত্যক্ষ সুফল হস্তান্তরের মাধ্যমে নাগরিকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে ৩৪ লক্ষ কোটি টাকা পৌঁছে দিয়েছে। অন্যদিকে, ‘মুদ্রা’ যোজনার আওতায় কর্মসংস্থান ও স্বনির্ভর কর্মসূচির ব্যবস্থা করতে দেশের তরুণ ও যুবকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে হস্তান্তরিত হয়েছে ২৮ লক্ষ কোটি টাকার মতো আর্থিক সহায়তা। আবার, ‘প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি’র আওতায় সরকারি সহায়তা দেওয়া হয়েছে ২.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গত উল্লেখ করেন যে পূর্ববর্তী সরকারগুলির আমলে অর্থ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নানারকম রাজনীতি করা হত। ফলে, সার্বিক বিষয়টিতে স্বচ্ছতারও অভাব ছিল। কিন্তু, বর্তমান সরকারের প্রচেষ্টায় দুর্নীতি যখন সমূলে উৎপাটিত হচ্ছে, তখনই সূচনা হচ্ছে নতুন নতুন উন্নয়নমূলক কর্মযজ্ঞের। এর সুবাদে কর্মসংস্থানের সুযোগও হচ্ছে ক্রমপ্রসারিত। দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়টিও ছিল এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। সুপ্রশাসন এবং সুপরিচালনের হাত ধরে নতুন নতুন রেল ও সড়ক কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন যে এই কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে গড়ে উঠবে ‘বিকশিত ছত্তিশগড়’ এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠতে চলেছে বর্তমান ভারত। ঐ সময়কালে নতুন নতুন উন্নয়নের এক বিশেষ উচ্চতায় পৌঁছে যাবে এই রাজ্যটিও। যাঁরা এই প্রথম ভোটদাতার স্বীকৃতি লাভ করতে চলেছেন, সেই সমস্ত তরুণ নাগরিকদের কাছে এ হল এক বিশেষ সুযোগের মুহূর্ত। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হবে নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা। তাদের স্বপ্নগুলিকে সফল ও সার্থক করে তুলবে ‘বিকশিত ছত্তিশগড়’।
In future leadership, SOUL's objective should be to instill both the Steel and Spirit in every sector to build Viksit Bharat: PM
February 21, 2025
Share
The School of Ultimate Leadership (SOUL) will shape leaders who excel nationally and globally: PM
Today, India is emerging as a global powerhouse: PM
Leaders must set trends: PM
In future leadership, SOUL's objective should be to instill both the Steel and Spirit in every sector to build Viksit Bharat: PM
India needs leaders who can develop new institutions of global excellence: PM
The bond forged by a shared purpose is stronger than blood: PM
His Excellency,
भूटान के प्रधानमंत्री, मेरे Brother दाशो शेरिंग तोबगे जी, सोल बोर्ड के चेयरमैन सुधीर मेहता, वाइस चेयरमैन हंसमुख अढ़िया, उद्योग जगत के दिग्गज, जो अपने जीवन में, अपने-अपने क्षेत्र में लीडरशिप देने में सफल रहे हैं, ऐसे अनेक महानुभावों को मैं यहां देख रहा हूं, और भविष्य जिनका इंतजार कर रहा है, ऐसे मेरे युवा साथियों को भी यहां देख रहा हूं।
साथियों,
कुछ आयोजन ऐसे होते हैं, जो हृदय के बहुत करीब होते हैं, और आज का ये कार्यक्रम भी ऐसा ही है। नेशन बिल्डिंग के लिए, बेहतर सिटिजन्स का डेवलपमेंट ज़रूरी है। व्यक्ति निर्माण से राष्ट्र निर्माण, जन से जगत, जन से जग, ये किसी भी ऊंचाई को प्राप्त करना है, विशालता को पाना है, तो आरंभ जन से ही शुरू होता है। हर क्षेत्र में बेहतरीन लीडर्स का डेवलपमेंट बहुत जरूरी है, और समय की मांग है। और इसलिए The School of Ultimate Leadership की स्थापना, विकसित भारत की विकास यात्रा में एक बहुत महत्वपूर्ण और बहुत बड़ा कदम है। इस संस्थान के नाम में ही ‘सोल’ है, ऐसा नहीं है, ये भारत की सोशल लाइफ की soul बनने वाला है, और हम लोग जिससे भली-भांति परिचित हैं, बार-बार सुनने को मिलता है- आत्मा, अगर इस सोल को उस भाव से देखें, तो ये आत्मा की अनुभूति कराता है। मैं इस मिशन से जुड़े सभी साथियों का, इस संस्थान से जुड़े सभी महानुभावों का हृदय से बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं। बहुत जल्द ही गिफ्ट सिटी के पास The School of Ultimate Leadership का एक विशाल कैंपस भी बनकर तैयार होने वाला है। और अभी जब मैं आपके बीच आ रहा था, तो चेयरमैन श्री ने मुझे उसका पूरा मॉडल दिखाया, प्लान दिखाया, वाकई मुझे लगता है कि आर्किटेक्चर की दृष्टि से भी ये लीडरशिप लेगा।
|
साथियों,
आज जब The School of Ultimate Leadership- सोल, अपने सफर का पहला बड़ा कदम उठा रहा है, तब आपको ये याद रखना है कि आपकी दिशा क्या है, आपका लक्ष्य क्या है? स्वामी विवेकानंद ने कहा था- “Give me a hundred energetic young men and women and I shall transform India.” स्वामी विवेकानंद जी, भारत को गुलामी से बाहर निकालकर भारत को ट्रांसफॉर्म करना चाहते थे। और उनका विश्वास था कि अगर 100 लीडर्स उनके पास हों, तो वो भारत को आज़ाद ही नहीं बल्कि दुनिया का नंबर वन देश बना सकते हैं। इसी इच्छा-शक्ति के साथ, इसी मंत्र को लेकर हम सबको और विशेषकर आपको आगे बढ़ना है। आज हर भारतीय 21वीं सदी के विकसित भारत के लिए दिन-रात काम कर रहा है। ऐसे में 140 करोड़ के देश में भी हर सेक्टर में, हर वर्टिकल में, जीवन के हर पहलू में, हमें उत्तम से उत्तम लीडरशिप की जरूरत है। सिर्फ पॉलीटिकल लीडरशिप नहीं, जीवन के हर क्षेत्र में School of Ultimate Leadership के पास भी 21st सेंचुरी की लीडरशिप तैयार करने का बहुत बड़ा स्कोप है। मुझे विश्वास है, School of Ultimate Leadership से ऐसे लीडर निकलेंगे, जो देश ही नहीं बल्कि दुनिया की संस्थाओं में, हर क्षेत्र में अपना परचम लहराएंगे। और हो सकता है, यहां से ट्रेनिंग लेकर निकला कोई युवा, शायद पॉलिटिक्स में नया मुकाम हासिल करे।
साथियों,
कोई भी देश जब तरक्की करता है, तो नेचुरल रिसोर्सेज की अपनी भूमिका होती ही है, लेकिन उससे भी ज्यादा ह्यूमेन रिसोर्स की बहुत बड़ी भूमिका है। मुझे याद है, जब महाराष्ट्र और गुजरात के अलग होने का आंदोलन चल रहा था, तब तो हम बहुत बच्चे थे, लेकिन उस समय एक चर्चा ये भी होती थी, कि गुजरात अलग होकर के क्या करेगा? उसके पास कोई प्राकृतिक संसाधन नहीं है, कोई खदान नहीं है, ना कोयला है, कुछ नहीं है, ये करेगा क्या? पानी भी नहीं है, रेगिस्तान है और उधर पाकिस्तान है, ये करेगा क्या? और ज्यादा से ज्यादा इन गुजरात वालों के पास नमक है, और है क्या? लेकिन लीडरशिप की ताकत देखिए, आज वही गुजरात सब कुछ है। वहां के जन सामान्य में ये जो सामर्थ्य था, रोते नहीं बैठें, कि ये नहीं है, वो नहीं है, ढ़िकना नहीं, फलाना नहीं, अरे जो है सो वो। गुजरात में डायमंड की एक भी खदान नहीं है, लेकिन दुनिया में 10 में से 9 डायमंड वो है, जो किसी न किसी गुजराती का हाथ लगा हुआ होता है। मेरे कहने का तात्पर्य ये है कि सिर्फ संसाधन ही नहीं, सबसे बड़ा सामर्थ्य होता है- ह्यूमन रिसोर्स में, मानवीय सामर्थ्य में, जनशक्ति में और जिसको आपकी भाषा में लीडरशिप कहा जाता है।
21st सेंचुरी में तो ऐसे रिसोर्स की ज़रूरत है, जो इनोवेशन को लीड कर सकें, जो स्किल को चैनेलाइज कर सकें। आज हम देखते हैं कि हर क्षेत्र में स्किल का कितना बड़ा महत्व है। इसलिए जो लीडरशिप डेवलपमेंट का क्षेत्र है, उसे भी नई स्किल्स चाहिए। हमें बहुत साइंटिफिक तरीके से लीडरशिप डेवलपमेंट के इस काम को तेज गति से आगे बढ़ाना है। इस दिशा में सोल की, आपके संस्थान की बहुत बड़ी भूमिका है। मुझे ये जानकर अच्छा लगा कि आपने इसके लिए काम भी शुरु कर दिया है। विधिवत भले आज आपका ये पहला कार्यक्रम दिखता हो, मुझे बताया गया कि नेशनल एजुकेशन पॉलिसी के effective implementation के लिए, State Education Secretaries, State Project Directors और अन्य अधिकारियों के लिए वर्क-शॉप्स हुई हैं। गुजरात के चीफ मिनिस्टर ऑफिस के स्टाफ में लीडरशिप डेवलपमेंट के लिए चिंतन शिविर लगाया गया है। और मैं कह सकता हूं, ये तो अभी शुरुआत है। अभी तो सोल को दुनिया का सबसे बेहतरीन लीडरशिप डेवलपमेंट संस्थान बनते देखना है। और इसके लिए परिश्रम करके दिखाना भी है।
साथियों,
आज भारत एक ग्लोबल पावर हाउस के रूप में Emerge हो रहा है। ये Momentum, ये Speed और तेज हो, हर क्षेत्र में हो, इसके लिए हमें वर्ल्ड क्लास लीडर्स की, इंटरनेशनल लीडरशिप की जरूरत है। SOUL जैसे Leadership Institutions, इसमें Game Changer साबित हो सकते हैं। ऐसे International Institutions हमारी Choice ही नहीं, हमारी Necessity हैं। आज भारत को हर सेक्टर में Energetic Leaders की भी जरूरत है, जो Global Complexities का, Global Needs का Solution ढूंढ पाएं। जो Problems को Solve करते समय, देश के Interest को Global Stage पर सबसे आगे रखें। जिनकी अप्रोच ग्लोबल हो, लेकिन सोच का एक महत्वपूर्ण हिस्सा Local भी हो। हमें ऐसे Individuals तैयार करने होंगे, जो Indian Mind के साथ, International Mind-set को समझते हुए आगे बढ़ें। जो Strategic Decision Making, Crisis Management और Futuristic Thinking के लिए हर पल तैयार हों। अगर हमें International Markets में, Global Institutions में Compete करना है, तो हमें ऐसे Leaders चाहिए जो International Business Dynamics की समझ रखते हों। SOUL का काम यही है, आपकी स्केल बड़ी है, स्कोप बड़ा है, और आपसे उम्मीद भी उतनी ही ज्यादा हैं।
|
साथियों,
आप सभी को एक बात हमेशा- हमेशा उपयोगी होगी, आने वाले समय में Leadership सिर्फ Power तक सीमित नहीं होगी। Leadership के Roles में वही होगा, जिसमें Innovation और Impact की Capabilities हों। देश के Individuals को इस Need के हिसाब से Emerge होना पड़ेगा। SOUL इन Individuals में Critical Thinking, Risk Taking और Solution Driven Mindset develop करने वाला Institution होगा। आने वाले समय में, इस संस्थान से ऐसे लीडर्स निकलेंगे, जो Disruptive Changes के बीच काम करने को तैयार होंगे।
साथियों,
हमें ऐसे लीडर्स बनाने होंगे, जो ट्रेंड बनाने में नहीं, ट्रेंड सेट करने के लिए काम करने वाले हों। आने वाले समय में जब हम Diplomacy से Tech Innovation तक, एक नई लीडरशिप को आगे बढ़ाएंगे। तो इन सारे Sectors में भारत का Influence और impact, दोनों कई गुणा बढ़ेंगे। यानि एक तरह से भारत का पूरा विजन, पूरा फ्यूचर एक Strong Leadership Generation पर निर्भर होगा। इसलिए हमें Global Thinking और Local Upbringing के साथ आगे बढ़ना है। हमारी Governance को, हमारी Policy Making को हमने World Class बनाना होगा। ये तभी हो पाएगा, जब हमारे Policy Makers, Bureaucrats, Entrepreneurs, अपनी पॉलिसीज़ को Global Best Practices के साथ जोड़कर Frame कर पाएंगे। और इसमें सोल जैसे संस्थान की बहुत बड़ी भूमिका होगी।
साथियों,
मैंने पहले भी कहा कि अगर हमें विकसित भारत बनाना है, तो हमें हर क्षेत्र में तेज गति से आगे बढ़ना होगा। हमारे यहां शास्त्रों में कहा गया है-
यत् यत् आचरति श्रेष्ठः, तत् तत् एव इतरः जनः।।
यानि श्रेष्ठ मनुष्य जैसा आचरण करता है, सामान्य लोग उसे ही फॉलो करते हैं। इसलिए, ऐसी लीडरशिप ज़रूरी है, जो हर aspect में वैसी हो, जो भारत के नेशनल विजन को रिफ्लेक्ट करे, उसके हिसाब से conduct करे। फ्यूचर लीडरशिप में, विकसित भारत के निर्माण के लिए ज़रूरी स्टील और ज़रूरी स्पिरिट, दोनों पैदा करना है, SOUL का उद्देश्य वही होना चाहिए। उसके बाद जरूरी change और रिफॉर्म अपने आप आते रहेंगे।
|
साथियों,
ये स्टील और स्पिरिट, हमें पब्लिक पॉलिसी और सोशल सेक्टर्स में भी पैदा करनी है। हमें Deep-Tech, Space, Biotech, Renewable Energy जैसे अनेक Emerging Sectors के लिए लीडरशिप तैयार करनी है। Sports, Agriculture, Manufacturing और Social Service जैसे Conventional Sectors के लिए भी नेतृत्व बनाना है। हमें हर सेक्टर्स में excellence को aspire ही नहीं, अचीव भी करना है। इसलिए, भारत को ऐसे लीडर्स की जरूरत होगी, जो Global Excellence के नए Institutions को डेवलप करें। हमारा इतिहास तो ऐसे Institutions की Glorious Stories से भरा पड़ा है। हमें उस Spirit को revive करना है और ये मुश्किल भी नहीं है। दुनिया में ऐसे अनेक देशों के उदाहरण हैं, जिन्होंने ये करके दिखाया है। मैं समझता हूं, यहां इस हॉल में बैठे साथी और बाहर जो हमें सुन रहे हैं, देख रहे हैं, ऐसे लाखों-लाख साथी हैं, सब के सब सामर्थ्यवान हैं। ये इंस्टीट्यूट, आपके सपनों, आपके विजन की भी प्रयोगशाला होनी चाहिए। ताकि आज से 25-50 साल बाद की पीढ़ी आपको गर्व के साथ याद करें। आप आज जो ये नींव रख रहे हैं, उसका गौरवगान कर सके।
साथियों,
एक institute के रूप में आपके सामने करोड़ों भारतीयों का संकल्प और सपना, दोनों एकदम स्पष्ट होना चाहिए। आपके सामने वो सेक्टर्स और फैक्टर्स भी स्पष्ट होने चाहिए, जो हमारे लिए चैलेंज भी हैं और opportunity भी हैं। जब हम एक लक्ष्य के साथ आगे बढ़ते हैं, मिलकर प्रयास करते हैं, तो नतीजे भी अद्भुत मिलते हैं। The bond forged by a shared purpose is stronger than blood. ये माइंड्स को unite करता है, ये passion को fuel करता है और ये समय की कसौटी पर खरा उतरता है। जब Common goal बड़ा होता है, जब आपका purpose बड़ा होता है, ऐसे में leadership भी विकसित होती है, Team spirit भी विकसित होती है, लोग खुद को अपने Goals के लिए dedicate कर देते हैं। जब Common goal होता है, एक shared purpose होता है, तो हर individual की best capacity भी बाहर आती है। और इतना ही नहीं, वो बड़े संकल्प के अनुसार अपनी capabilities बढ़ाता भी है। और इस process में एक लीडर डेवलप होता है। उसमें जो क्षमता नहीं है, उसे वो acquire करने की कोशिश करता है, ताकि औऱ ऊपर पहुंच सकें।
साथियों,
जब shared purpose होता है तो team spirit की अभूतपूर्व भावना हमें गाइड करती है। जब सारे लोग एक shared purpose के co-traveller के तौर पर एक साथ चलते हैं, तो एक bonding विकसित होती है। ये team building का प्रोसेस भी leadership को जन्म देता है। हमारी आज़ादी की लड़ाई से बेहतर Shared purpose का क्या उदाहरण हो सकता है? हमारे freedom struggle से सिर्फ पॉलिटिक्स ही नहीं, दूसरे सेक्टर्स में भी लीडर्स बने। आज हमें आज़ादी के आंदोलन के उसी भाव को वापस जीना है। उसी से प्रेरणा लेते हुए, आगे बढ़ना है।
यानि ऐसा कोई शब्द नहीं, जिसमें मंत्र ना बन सके। ऐसी कोई जड़ी-बूटी नहीं, जिससे औषधि ना बन सके। कोई भी ऐसा व्यक्ति नहीं, जो अयोग्य हो। लेकिन सभी को जरूरत सिर्फ ऐसे योजनाकार की है, जो उनका सही जगह इस्तेमाल करे, उन्हें सही दिशा दे। SOUL का रोल भी उस योजनाकार का ही है। आपको भी शब्दों को मंत्र में बदलना है, जड़ी-बूटी को औषधि में बदलना है। यहां भी कई लीडर्स बैठे हैं। आपने लीडरशिप के ये गुर सीखे हैं, तराशे हैं। मैंने कहीं पढ़ा था- If you develop yourself, you can experience personal success. If you develop a team, your organization can experience growth. If you develop leaders, your organization can achieve explosive growth. इन तीन वाक्यों से हमें हमेशा याद रहेगा कि हमें करना क्या है, हमें contribute करना है।
|
साथियों,
आज देश में एक नई सामाजिक व्यवस्था बन रही है, जिसको वो युवा पीढी गढ़ रही है, जो 21वीं सदी में पैदा हुई है, जो बीते दशक में पैदा हुई है। ये सही मायने में विकसित भारत की पहली पीढ़ी होने जा रही है, अमृत पीढ़ी होने जा रही है। मुझे विश्वास है कि ये नया संस्थान, ऐसी इस अमृत पीढ़ी की लीडरशिप तैयार करने में एक बहुत ही महत्वपूर्ण भूमिका निभाएगा। एक बार फिर से आप सभी को मैं बहुत-बहुत शुभकामनाएं देता हूं।
भूटान के राजा का आज जन्मदिन होना, और हमारे यहां यह अवसर होना, ये अपने आप में बहुत ही सुखद संयोग है। और भूटान के प्रधानमंत्री जी का इतने महत्वपूर्ण दिवस में यहां आना और भूटान के राजा का उनको यहां भेजने में बहुत बड़ा रोल है, तो मैं उनका भी हृदय से बहुत-बहुत आभार व्यक्त करता हूं।
|
साथियों,
ये दो दिन, अगर मेरे पास समय होता तो मैं ये दो दिन यहीं रह जाता, क्योंकि मैं कुछ समय पहले विकसित भारत का एक कार्यक्रम था आप में से कई नौजवान थे उसमें, तो लगभग पूरा दिन यहां रहा था, सबसे मिला, गप्पे मार रहा था, मुझे बहुत कुछ सीखने को मिला, बहुत कुछ जानने को मिला, और आज तो मेरा सौभाग्य है, मैं देख रहा हूं कि फर्स्ट रो में सारे लीडर्स वो बैठे हैं जो अपने जीवन में सफलता की नई-नई ऊंचाइयां प्राप्त कर चुके हैं। ये आपके लिए बड़ा अवसर है, इन सबके साथ मिलना, बैठना, बातें करना। मुझे ये सौभाग्य नहीं मिलता है, क्योंकि मुझे जब ये मिलते हैं तब वो कुछ ना कुछ काम लेकर आते हैं। लेकिन आपको उनके अनुभवों से बहुत कुछ सीखने को मिलेगा, जानने को मिलेगा। ये स्वयं में, अपने-अपने क्षेत्र में, बड़े अचीवर्स हैं। और उन्होंने इतना समय आप लोगों के लिए दिया है, इसी में मन लगता है कि इस सोल नाम की इंस्टीट्यूशन का मैं एक बहुत उज्ज्वल भविष्य देख रहा हूं, जब ऐसे सफल लोग बीज बोते हैं तो वो वट वृक्ष भी सफलता की नई ऊंचाइयों को प्राप्त करने वाले लीडर्स को पैदा करके रहेगा, ये पूरे विश्वास के साथ मैं फिर एक बार इस समय देने वाले, सामर्थ्य बढ़ाने वाले, शक्ति देने वाले हर किसी का आभार व्यक्त करते हुए, मेरे नौजवानों के लिए मेरे बहुत सपने हैं, मेरी बहुत उम्मीदें हैं और मैं हर पल, मैं मेरे देश के नौजवानों के लिए कुछ ना कुछ करता रहूं, ये भाव मेरे भीतर हमेशा पड़ा रहता है, मौका ढूंढता रहता हूँ और आज फिर एक बार वो अवसर मिला है, मेरी तरफ से नौजवानों को बहुत-बहुत शुभकामनाएं।