Published By : Admin | October 4, 2024 | 19:44 IST
Share
Today, India is the fastest growing major economy:PM
Government is following the mantra of Reform, Perform and Transform:PM
Government is committed to carrying out structural reforms to make India developed:PM
Inclusion taking place along with growth in India:PM
India has made ‘process reforms’ a part of the government's continuous activities:PM
Today, India's focus is on critical technologies like AI and semiconductors:PM
Special package for skilling and internship of youth:PM
ভারত বর্তমানে বিশ্বে দ্রুততম গতিতে এগিয়ে চলা এক বৃহদায়তন অর্থনীতির দেশ। জিডিপি-র নিরিখে ভারত এখন পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির একটি দেশ বলে স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্বজুড়ে। আবার, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ফিনটেক-কে গ্রহণ ও কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ভারত উন্নীত হয়েছে এক নম্বর দেশে। অন্যদিকে, ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে ভারত পৌঁছে গেছে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে। শুধু তাই নয়, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্টার্ট-আপ সংস্থা অনুকূল পরিবেশ ও পরিস্থিতির একটি দেশ রূপেও ভারত নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছে। উৎপাদন তথা নির্মাণ ক্ষেত্রে আবার ভারত মোবাইল উৎপাদনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশের তকমা লাভ করেছে। দু’চাকার যান এবং ট্র্যাক্টর নির্মাণের ক্ষেত্রেও ভারতের অবস্থান এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম। অথচ, আমাদের দেশ হল বিশ্বে সবচেয়ে নবীন একটি দেশ। ভারত থেকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উঠে এসেছেন অসংখ্য বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদ। সেইদিক থেকে বিচার করলে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রচেষ্টার ক্ষেত্রেও ভারত বিশেষ গর্ব ও কৃতিত্বের সঙ্গেই বিশ্বে একটি বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছে।
আজ রাজধানীতে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের সঙ্গে সহযোগিতা ও সমন্বয়ক্রমে দ্য ইনস্টিটিউট অফ ইকনমিক গ্রোথ আয়োজিত ‘কৌটিল্য ইকনমিক কনক্লেভ’-এ ভাষণদানকালে এই তথ্য পেশ করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী।
শ্রী মোদী বলেন, সংস্কার, কর্মপ্রচেষ্টা ও রূপান্তর – এই তিনটি মন্ত্র অনুসরণ করে কেন্দ্রীয় সরকার এগিয়ে চলেছে। দেশকে এক নতুন মাত্রায় উন্নীত করতে প্রায় প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হচ্ছে সরকারকে। এইভাবে দেশবাসীর জীবন যখন এক বিশেষ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলেছে, তখন তাঁরা অনুভব ও উপলব্ধি করতে পারছেন যে দেশ এখন সঠিক পথের দিশারী। ১৪০ কোটি ভারতবাসীর আস্থা ও বিশ্বাসই আমাদের সরকারের সবচেয়ে বড় সম্পদ। ভারতকে আরও উন্নত করে তুলতে সরকার কাঠামোগত সংস্কার প্রচেষ্টার কাজে অঙ্গীকারবদ্ধ। নীতিগত পরিবর্তন, কর্মসংস্থান ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বলিষ্ঠ অঙ্গীকার, নিরন্তর উন্নয়ন ও অগ্রগতির দিকে বিশেষ নজর, উদ্ভাবন প্রচেষ্টাকে উৎসাহদান, আধুনিক পরিকাঠামো গঠন, জীবনযাত্রার গুণগত মানকে আরও উন্নত করে তোলা – এই সমস্ত দিকেই দেশ এখন কোনভাবেই পিছিয়ে নেই। বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদকালে গত তিন মাসে আমাদের কাজে এরই প্রতিফলন ঘটেছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গী অগ্রগতির এই ধারাকে আরও নিরন্তর করে তুলেছে। অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে এখানে যুক্ত হয়েছে উন্নয়ন ও অগ্রগতি। ২৫ কোটি দেশবাসীকে গত এক দশকের মধ্যেই দারিদ্র্যসীমার বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে।
বিশ্বের প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলি যে ভারত সম্পর্কে তাদের পূর্বাভাসকে সঠিক বলেই ঘোষণা করেছে, একথাও আজ আর কারোর অজানা নয়। বিশ্বব্যাঙ্ক, আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার অথবা মুডিজ – এই বড় বড় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলি একথা বারবার ঘোষণা করেছে যে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তার এক আবহ থাকলেও ভারত কিন্তু স্বাভাবিক গতিতেই তার স্থির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে। ভারতবাসীর প্রত্যাশা হল এই যে আগামীদিনে আরও ভালোভাবে দেশ এগিয়ে যেতে পারবে। তাঁদের এই আস্থা ও আত্মবিশ্বাসই আমাদের এগিয়ে চলার কাজে সাহস যুগিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে নির্মাণ, উৎপাদন বা পরিষেবা – যে কোন ক্ষেত্রেই হোক না কেন, আন্তর্জাতিক মহল এখন ভারতকে বিনিয়োগের শ্রেষ্ঠ গন্তব্য বলে মনে করে। এই ঘটনা কোনো সমাপতন মাত্র নয়, বরং গত ১০ বছর ধরে আমাদের নানা ধরনের সংস্কার প্রচেষ্টারই ফসল। যার ফলে, ভারতের বৃহদায়তন অর্থনীতির মূল বিষয়গুলির অনেকটাই আজ রূপান্তরিত। সংস্কার প্রসঙ্গে শ্রী মোদী বলেন যে ভারতের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থার সংস্কার শুধুমাত্র ব্যাঙ্কগুলির আর্থিক অবস্থা ফেরাতেই সাহায্য করেনি, একইসঙ্গে তা ঋণদানের ক্ষেত্রেও প্রভূত সহায়তা করেছে। একইভাবে পণ্য ও পরিষেবা কর অর্থাৎ, জিএসটি আরও সংহত করেছে অনেকগুলি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের পরোক্ষ করকে। খনি, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশের মতো ক্ষেত্রগুলিতে এখন বেসরকারি বিনিয়োগও অনেকটাই উন্মুক্ত। বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নিয়মকানুনও এখন অনেকটাই সহজ করে তোলা হয়েছে। গত এক দশকে পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বেড়েছে নজিরবিহীনভাবে। ইলেক্ট্রনিক্স, অর্থাৎ বৈদ্যুতিন ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির বিস্ময়কর কাহিনীও এদিন তাঁর ভাষণে বিবৃত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন যে ভারত ছিল এক সময় বিদেশ থেকে মোবাইল ফোনের আমদানিকারী একটি দেশ। কিন্তু বর্তমানে ৩৩ কোটিরও বেশি মোবাইল ফোন উৎপাদিত হচ্ছে এ দেশেই। এইভাবেই ভারতে প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগের সুযোগ এখন উন্মুক্ত। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, অর্থাৎ কৃত্রিম মেধাশক্তির মতো কঠিন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং সেমি-কন্ডাক্টর প্রযুক্তিক্ষেত্রেও সরকার সাম্প্রতিককালে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করেছে। ভারতের এআই মিশন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রটিতে গবেষণা ও দক্ষতা বিকাশে আরও বেশি করে সুযোগ সৃষ্টি করবে। অন্যদিকে, সেমি-কন্ডাক্টার মিশনের আওতায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে ভারতের পাঁচটি সেমি-কন্ডাক্টার প্রকল্পে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ চিপ উৎপাদিত হয়ে তার যোগান দেওয়া হবে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি প্রান্তে।
ভারতে প্রযুক্তির দিক থেকে মেধাশক্তির কোনো অভাব নেই বলে এদিন বিশেষ জোরের সঙ্গে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এজন্য শিক্ষা, দক্ষতা বিকাশ, উদ্ভাবন প্রচেষ্টা ও গবেষণার ওপর বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, মেডিকেল পঠনপাঠনের দিক থেকেও দেশ এখন অনেকটাই উন্নত। গত ১০ বছরে দেশে মেডিকেল কলেজগুলির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। দূষণমুক্ত কাজের পরিবেশের দিক থেকেও সারা বিশ্বের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে ভারত।
প্রধানমন্ত্রীর এদিনের ভাষণে সৌরবিদ্যুৎ ক্ষেত্রে ভারতের অগ্রগতির একটি ছবিও ফুটে উঠেছে। ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর’ কর্মসূচি সম্পর্কে বলতে গিয়ে শ্রী মোদী বলেন, এই প্রকল্পটির আকার-আয়তনই শুধু যে বিশাল তাই নয়, বরং তার কাজের লক্ষ্য ও গতি যথেষ্ট বৈপ্লবিক বললেও অত্যুক্তি হবে না। কারণ, তা লক্ষ লক্ষ ভারতীয় পরিবারে বিনা খরচে সৌরবিদ্যুৎ আহরণ ও ব্যবহারের এক দিশা দেখাতে পেরেছে। এর ফলে, এ দেশের পরিবারগুলির বছরে গড়ে ২৫ হাজার টাকা করে ব্যয়সাশ্রয় ঘটছে। শুধু তাই নয়, ৫০-৬০ টনের মতো কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমনের মাত্রাও হ্রাস পেয়েছে প্রতি ৩ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে। এই প্রকল্পের সাহায্যে ভারতের দক্ষ শ্রমশক্তির জন্য ১৭ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে চলেছে বলে প্রসঙ্গত জানান তিনি। এই সমস্ত দিক বিচার করে ভারত যে শুধু বিশ্বের শীর্ষতম স্থানটি দখল করতে চলেছে তাই নয়, বরং সেখানে তার অবস্থান পাকা করতেও এই দেশ এখন সঙ্কল্পবদ্ধ।
আজকের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতী নির্মলা সীতারমন এবং ইনস্টিটিউট অফ ইকনমিক গ্রোথ-এর প্রেসিডেন্ট শ্রী এন কে সিং।
Text Of Prime Minister Narendra Modi addresses BJP Karyakartas at Party Headquarters
November 23, 2024
Share
Today, Maharashtra has witnessed the triumph of development, good governance, and genuine social justice: PM Modi to BJP Karyakartas
The people of Maharashtra have given the BJP many more seats than the Congress and its allies combined, says PM Modi at BJP HQ
Maharashtra has broken all records. It is the biggest win for any party or pre-poll alliance in the last 50 years, says PM Modi
‘Ek Hain Toh Safe Hain’ has become the 'maha-mantra' of the country, says PM Modi while addressing the BJP Karyakartas at party HQ
Maharashtra has become sixth state in the country that has given mandate to BJP for third consecutive time: PM Modi
जो लोग महाराष्ट्र से परिचित होंगे, उन्हें पता होगा, तो वहां पर जब जय भवानी कहते हैं तो जय शिवाजी का बुलंद नारा लगता है।
जय भवानी...जय भवानी...जय भवानी...जय भवानी...
आज हम यहां पर एक और ऐतिहासिक महाविजय का उत्सव मनाने के लिए इकट्ठा हुए हैं। आज महाराष्ट्र में विकासवाद की जीत हुई है। महाराष्ट्र में सुशासन की जीत हुई है। महाराष्ट्र में सच्चे सामाजिक न्याय की विजय हुई है। और साथियों, आज महाराष्ट्र में झूठ, छल, फरेब बुरी तरह हारा है, विभाजनकारी ताकतें हारी हैं। आज नेगेटिव पॉलिटिक्स की हार हुई है। आज परिवारवाद की हार हुई है। आज महाराष्ट्र ने विकसित भारत के संकल्प को और मज़बूत किया है। मैं देशभर के भाजपा के, NDA के सभी कार्यकर्ताओं को बहुत-बहुत बधाई देता हूं, उन सबका अभिनंदन करता हूं। मैं श्री एकनाथ शिंदे जी, मेरे परम मित्र देवेंद्र फडणवीस जी, भाई अजित पवार जी, उन सबकी की भी भूरि-भूरि प्रशंसा करता हूं।
साथियों,
आज देश के अनेक राज्यों में उपचुनाव के भी नतीजे आए हैं। नड्डा जी ने विस्तार से बताया है, इसलिए मैं विस्तार में नहीं जा रहा हूं। लोकसभा की भी हमारी एक सीट और बढ़ गई है। यूपी, उत्तराखंड और राजस्थान ने भाजपा को जमकर समर्थन दिया है। असम के लोगों ने भाजपा पर फिर एक बार भरोसा जताया है। मध्य प्रदेश में भी हमें सफलता मिली है। बिहार में भी एनडीए का समर्थन बढ़ा है। ये दिखाता है कि देश अब सिर्फ और सिर्फ विकास चाहता है। मैं महाराष्ट्र के मतदाताओं का, हमारे युवाओं का, विशेषकर माताओं-बहनों का, किसान भाई-बहनों का, देश की जनता का आदरपूर्वक नमन करता हूं।
साथियों,
मैं झारखंड की जनता को भी नमन करता हूं। झारखंड के तेज विकास के लिए हम अब और ज्यादा मेहनत से काम करेंगे। और इसमें भाजपा का एक-एक कार्यकर्ता अपना हर प्रयास करेगा।
साथियों,
छत्रपति शिवाजी महाराजांच्या // महाराष्ट्राने // आज दाखवून दिले// तुष्टीकरणाचा सामना // कसा करायच। छत्रपति शिवाजी महाराज, शाहुजी महाराज, महात्मा फुले-सावित्रीबाई फुले, बाबासाहेब आंबेडकर, वीर सावरकर, बाला साहेब ठाकरे, ऐसे महान व्यक्तित्वों की धरती ने इस बार पुराने सारे रिकॉर्ड तोड़ दिए। और साथियों, बीते 50 साल में किसी भी पार्टी या किसी प्री-पोल अलायंस के लिए ये सबसे बड़ी जीत है। और एक महत्वपूर्ण बात मैं बताता हूं। ये लगातार तीसरी बार है, जब भाजपा के नेतृत्व में किसी गठबंधन को लगातार महाराष्ट्र ने आशीर्वाद दिए हैं, विजयी बनाया है। और ये लगातार तीसरी बार है, जब भाजपा महाराष्ट्र में सबसे बड़ी पार्टी बनकर उभरी है।
साथियों,
ये निश्चित रूप से ऐतिहासिक है। ये भाजपा के गवर्नंस मॉडल पर मुहर है। अकेले भाजपा को ही, कांग्रेस और उसके सभी सहयोगियों से कहीं अधिक सीटें महाराष्ट्र के लोगों ने दी हैं। ये दिखाता है कि जब सुशासन की बात आती है, तो देश सिर्फ और सिर्फ भाजपा पर और NDA पर ही भरोसा करता है। साथियों, एक और बात है जो आपको और खुश कर देगी। महाराष्ट्र देश का छठा राज्य है, जिसने भाजपा को लगातार 3 बार जनादेश दिया है। इससे पहले गोवा, गुजरात, छत्तीसगढ़, हरियाणा, और मध्य प्रदेश में हम लगातार तीन बार जीत चुके हैं। बिहार में भी NDA को 3 बार से ज्यादा बार लगातार जनादेश मिला है। और 60 साल के बाद आपने मुझे तीसरी बार मौका दिया, ये तो है ही। ये जनता का हमारे सुशासन के मॉडल पर विश्वास है औऱ इस विश्वास को बनाए रखने में हम कोई कोर कसर बाकी नहीं रखेंगे।
साथियों,
मैं आज महाराष्ट्र की जनता-जनार्दन का विशेष अभिनंदन करना चाहता हूं। लगातार तीसरी बार स्थिरता को चुनना ये महाराष्ट्र के लोगों की सूझबूझ को दिखाता है। हां, बीच में जैसा अभी नड्डा जी ने विस्तार से कहा था, कुछ लोगों ने धोखा करके अस्थिरता पैदा करने की कोशिश की, लेकिन महाराष्ट्र ने उनको नकार दिया है। और उस पाप की सजा मौका मिलते ही दे दी है। महाराष्ट्र इस देश के लिए एक तरह से बहुत महत्वपूर्ण ग्रोथ इंजन है, इसलिए महाराष्ट्र के लोगों ने जो जनादेश दिया है, वो विकसित भारत के लिए बहुत बड़ा आधार बनेगा, वो विकसित भारत के संकल्प की सिद्धि का आधार बनेगा।
साथियों,
हरियाणा के बाद महाराष्ट्र के चुनाव का भी सबसे बड़ा संदेश है- एकजुटता। एक हैं, तो सेफ हैं- ये आज देश का महामंत्र बन चुका है। कांग्रेस और उसके ecosystem ने सोचा था कि संविधान के नाम पर झूठ बोलकर, आरक्षण के नाम पर झूठ बोलकर, SC/ST/OBC को छोटे-छोटे समूहों में बांट देंगे। वो सोच रहे थे बिखर जाएंगे। कांग्रेस और उसके साथियों की इस साजिश को महाराष्ट्र ने सिरे से खारिज कर दिया है। महाराष्ट्र ने डंके की चोट पर कहा है- एक हैं, तो सेफ हैं। एक हैं तो सेफ हैं के भाव ने जाति, धर्म, भाषा और क्षेत्र के नाम पर लड़ाने वालों को सबक सिखाया है, सजा की है। आदिवासी भाई-बहनों ने भी भाजपा-NDA को वोट दिया, ओबीसी भाई-बहनों ने भी भाजपा-NDA को वोट दिया, मेरे दलित भाई-बहनों ने भी भाजपा-NDA को वोट दिया, समाज के हर वर्ग ने भाजपा-NDA को वोट दिया। ये कांग्रेस और इंडी-गठबंधन के उस पूरे इकोसिस्टम की सोच पर करारा प्रहार है, जो समाज को बांटने का एजेंडा चला रहे थे।
साथियों,
महाराष्ट्र ने NDA को इसलिए भी प्रचंड जनादेश दिया है, क्योंकि हम विकास और विरासत, दोनों को साथ लेकर चलते हैं। महाराष्ट्र की धरती पर इतनी विभूतियां जन्मी हैं। बीजेपी और मेरे लिए छत्रपति शिवाजी महाराज आराध्य पुरुष हैं। धर्मवीर छत्रपति संभाजी महाराज हमारी प्रेरणा हैं। हमने हमेशा बाबा साहब आंबेडकर, महात्मा फुले-सावित्री बाई फुले, इनके सामाजिक न्याय के विचार को माना है। यही हमारे आचार में है, यही हमारे व्यवहार में है।
साथियों,
लोगों ने मराठी भाषा के प्रति भी हमारा प्रेम देखा है। कांग्रेस को वर्षों तक मराठी भाषा की सेवा का मौका मिला, लेकिन इन लोगों ने इसके लिए कुछ नहीं किया। हमारी सरकार ने मराठी को Classical Language का दर्जा दिया। मातृ भाषा का सम्मान, संस्कृतियों का सम्मान और इतिहास का सम्मान हमारे संस्कार में है, हमारे स्वभाव में है। और मैं तो हमेशा कहता हूं, मातृभाषा का सम्मान मतलब अपनी मां का सम्मान। और इसीलिए मैंने विकसित भारत के निर्माण के लिए लालकिले की प्राचीर से पंच प्राणों की बात की। हमने इसमें विरासत पर गर्व को भी शामिल किया। जब भारत विकास भी और विरासत भी का संकल्प लेता है, तो पूरी दुनिया इसे देखती है। आज विश्व हमारी संस्कृति का सम्मान करता है, क्योंकि हम इसका सम्मान करते हैं। अब अगले पांच साल में महाराष्ट्र विकास भी विरासत भी के इसी मंत्र के साथ तेज गति से आगे बढ़ेगा।
साथियों,
इंडी वाले देश के बदले मिजाज को नहीं समझ पा रहे हैं। ये लोग सच्चाई को स्वीकार करना ही नहीं चाहते। ये लोग आज भी भारत के सामान्य वोटर के विवेक को कम करके आंकते हैं। देश का वोटर, देश का मतदाता अस्थिरता नहीं चाहता। देश का वोटर, नेशन फर्स्ट की भावना के साथ है। जो कुर्सी फर्स्ट का सपना देखते हैं, उन्हें देश का वोटर पसंद नहीं करता।
साथियों,
देश के हर राज्य का वोटर, दूसरे राज्यों की सरकारों का भी आकलन करता है। वो देखता है कि जो एक राज्य में बड़े-बड़े Promise करते हैं, उनकी Performance दूसरे राज्य में कैसी है। महाराष्ट्र की जनता ने भी देखा कि कर्नाटक, तेलंगाना और हिमाचल में कांग्रेस सरकारें कैसे जनता से विश्वासघात कर रही हैं। ये आपको पंजाब में भी देखने को मिलेगा। जो वादे महाराष्ट्र में किए गए, उनका हाल दूसरे राज्यों में क्या है? इसलिए कांग्रेस के पाखंड को जनता ने खारिज कर दिया है। कांग्रेस ने जनता को गुमराह करने के लिए दूसरे राज्यों के अपने मुख्यमंत्री तक मैदान में उतारे। तब भी इनकी चाल सफल नहीं हो पाई। इनके ना तो झूठे वादे चले और ना ही खतरनाक एजेंडा चला।
साथियों,
आज महाराष्ट्र के जनादेश का एक और संदेश है, पूरे देश में सिर्फ और सिर्फ एक ही संविधान चलेगा। वो संविधान है, बाबासाहेब आंबेडकर का संविधान, भारत का संविधान। जो भी सामने या पर्दे के पीछे, देश में दो संविधान की बात करेगा, उसको देश पूरी तरह से नकार देगा। कांग्रेस और उसके साथियों ने जम्मू-कश्मीर में फिर से आर्टिकल-370 की दीवार बनाने का प्रयास किया। वो संविधान का भी अपमान है। महाराष्ट्र ने उनको साफ-साफ बता दिया कि ये नहीं चलेगा। अब दुनिया की कोई भी ताकत, और मैं कांग्रेस वालों को कहता हूं, कान खोलकर सुन लो, उनके साथियों को भी कहता हूं, अब दुनिया की कोई भी ताकत 370 को वापस नहीं ला सकती।
साथियों,
महाराष्ट्र के इस चुनाव ने इंडी वालों का, ये अघाड़ी वालों का दोमुंहा चेहरा भी देश के सामने खोलकर रख दिया है। हम सब जानते हैं, बाला साहेब ठाकरे का इस देश के लिए, समाज के लिए बहुत बड़ा योगदान रहा है। कांग्रेस ने सत्ता के लालच में उनकी पार्टी के एक धड़े को साथ में तो ले लिया, तस्वीरें भी निकाल दी, लेकिन कांग्रेस, कांग्रेस का कोई नेता बाला साहेब ठाकरे की नीतियों की कभी प्रशंसा नहीं कर सकती। इसलिए मैंने अघाड़ी में कांग्रेस के साथी दलों को चुनौती दी थी, कि वो कांग्रेस से बाला साहेब की नीतियों की तारीफ में कुछ शब्द बुलवाकर दिखाएं। आज तक वो ये नहीं कर पाए हैं। मैंने दूसरी चुनौती वीर सावरकर जी को लेकर दी थी। कांग्रेस के नेतृत्व ने लगातार पूरे देश में वीर सावरकर का अपमान किया है, उन्हें गालियां दीं हैं। महाराष्ट्र में वोट पाने के लिए इन लोगों ने टेंपरेरी वीर सावरकर जी को जरा टेंपरेरी गाली देना उन्होंने बंद किया है। लेकिन वीर सावरकर के तप-त्याग के लिए इनके मुंह से एक बार भी सत्य नहीं निकला। यही इनका दोमुंहापन है। ये दिखाता है कि उनकी बातों में कोई दम नहीं है, उनका मकसद सिर्फ और सिर्फ वीर सावरकर को बदनाम करना है।
साथियों,
भारत की राजनीति में अब कांग्रेस पार्टी, परजीवी बनकर रह गई है। कांग्रेस पार्टी के लिए अब अपने दम पर सरकार बनाना लगातार मुश्किल हो रहा है। हाल ही के चुनावों में जैसे आंध्र प्रदेश, अरुणाचल प्रदेश, सिक्किम, हरियाणा और आज महाराष्ट्र में उनका सूपड़ा साफ हो गया। कांग्रेस की घिसी-पिटी, विभाजनकारी राजनीति फेल हो रही है, लेकिन फिर भी कांग्रेस का अहंकार देखिए, उसका अहंकार सातवें आसमान पर है। सच्चाई ये है कि कांग्रेस अब एक परजीवी पार्टी बन चुकी है। कांग्रेस सिर्फ अपनी ही नहीं, बल्कि अपने साथियों की नाव को भी डुबो देती है। आज महाराष्ट्र में भी हमने यही देखा है। महाराष्ट्र में कांग्रेस और उसके गठबंधन ने महाराष्ट्र की हर 5 में से 4 सीट हार गई। अघाड़ी के हर घटक का स्ट्राइक रेट 20 परसेंट से नीचे है। ये दिखाता है कि कांग्रेस खुद भी डूबती है और दूसरों को भी डुबोती है। महाराष्ट्र में सबसे ज्यादा सीटों पर कांग्रेस चुनाव लड़ी, उतनी ही बड़ी हार इनके सहयोगियों को भी मिली। वो तो अच्छा है, यूपी जैसे राज्यों में कांग्रेस के सहयोगियों ने उससे जान छुड़ा ली, वर्ना वहां भी कांग्रेस के सहयोगियों को लेने के देने पड़ जाते।
साथियों,
सत्ता-भूख में कांग्रेस के परिवार ने, संविधान की पंथ-निरपेक्षता की भावना को चूर-चूर कर दिया है। हमारे संविधान निर्माताओं ने उस समय 47 में, विभाजन के बीच भी, हिंदू संस्कार और परंपरा को जीते हुए पंथनिरपेक्षता की राह को चुना था। तब देश के महापुरुषों ने संविधान सभा में जो डिबेट्स की थी, उसमें भी इसके बारे में बहुत विस्तार से चर्चा हुई थी। लेकिन कांग्रेस के इस परिवार ने झूठे सेक्यूलरिज्म के नाम पर उस महान परंपरा को तबाह करके रख दिया। कांग्रेस ने तुष्टिकरण का जो बीज बोया, वो संविधान निर्माताओं के साथ बहुत बड़ा विश्वासघात है। और ये विश्वासघात मैं बहुत जिम्मेवारी के साथ बोल रहा हूं। संविधान के साथ इस परिवार का विश्वासघात है। दशकों तक कांग्रेस ने देश में यही खेल खेला। कांग्रेस ने तुष्टिकरण के लिए कानून बनाए, सुप्रीम कोर्ट के आदेश तक की परवाह नहीं की। इसका एक उदाहरण वक्फ बोर्ड है। दिल्ली के लोग तो चौंक जाएंगे, हालात ये थी कि 2014 में इन लोगों ने सरकार से जाते-जाते, दिल्ली के आसपास की अनेक संपत्तियां वक्फ बोर्ड को सौंप दी थीं। बाबा साहेब आंबेडकर जी ने जो संविधान हमें दिया है न, जिस संविधान की रक्षा के लिए हम प्रतिबद्ध हैं। संविधान में वक्फ कानून का कोई स्थान ही नहीं है। लेकिन फिर भी कांग्रेस ने तुष्टिकरण के लिए वक्फ बोर्ड जैसी व्यवस्था पैदा कर दी। ये इसलिए किया गया ताकि कांग्रेस के परिवार का वोटबैंक बढ़ सके। सच्ची पंथ-निरपेक्षता को कांग्रेस ने एक तरह से मृत्युदंड देने की कोशिश की है।
साथियों,
कांग्रेस के शाही परिवार की सत्ता-भूख इतनी विकृति हो गई है, कि उन्होंने सामाजिक न्याय की भावना को भी चूर-चूर कर दिया है। एक समय था जब के कांग्रेस नेता, इंदिरा जी समेत, खुद जात-पात के खिलाफ बोलते थे। पब्लिकली लोगों को समझाते थे। एडवरटाइजमेंट छापते थे। लेकिन आज यही कांग्रेस और कांग्रेस का ये परिवार खुद की सत्ता-भूख को शांत करने के लिए जातिवाद का जहर फैला रहा है। इन लोगों ने सामाजिक न्याय का गला काट दिया है।
साथियों,
एक परिवार की सत्ता-भूख इतने चरम पर है, कि उन्होंने खुद की पार्टी को ही खा लिया है। देश के अलग-अलग भागों में कई पुराने जमाने के कांग्रेस कार्यकर्ता है, पुरानी पीढ़ी के लोग हैं, जो अपने ज़माने की कांग्रेस को ढूंढ रहे हैं। लेकिन आज की कांग्रेस के विचार से, व्यवहार से, आदत से उनको ये साफ पता चल रहा है, कि ये वो कांग्रेस नहीं है। इसलिए कांग्रेस में, आंतरिक रूप से असंतोष बहुत ज्यादा बढ़ रहा है। उनकी आरती उतारने वाले भले आज इन खबरों को दबाकर रखे, लेकिन भीतर आग बहुत बड़ी है, असंतोष की ज्वाला भड़क चुकी है। सिर्फ एक परिवार के ही लोगों को कांग्रेस चलाने का हक है। सिर्फ वही परिवार काबिल है दूसरे नाकाबिल हैं। परिवार की इस सोच ने, इस जिद ने कांग्रेस में एक ऐसा माहौल बना दिया कि किसी भी समर्पित कांग्रेस कार्यकर्ता के लिए वहां काम करना मुश्किल हो गया है। आप सोचिए, कांग्रेस पार्टी की प्राथमिकता आज सिर्फ और सिर्फ परिवार है। देश की जनता उनकी प्राथमिकता नहीं है। और जिस पार्टी की प्राथमिकता जनता ना हो, वो लोकतंत्र के लिए बहुत ही नुकसानदायी होती है।
साथियों,
कांग्रेस का परिवार, सत्ता के बिना जी ही नहीं सकता। चुनाव जीतने के लिए ये लोग कुछ भी कर सकते हैं। दक्षिण में जाकर उत्तर को गाली देना, उत्तर में जाकर दक्षिण को गाली देना, विदेश में जाकर देश को गाली देना। और अहंकार इतना कि ना किसी का मान, ना किसी की मर्यादा और खुलेआम झूठ बोलते रहना, हर दिन एक नया झूठ बोलते रहना, यही कांग्रेस और उसके परिवार की सच्चाई बन गई है। आज कांग्रेस का अर्बन नक्सलवाद, भारत के सामने एक नई चुनौती बनकर खड़ा हो गया है। इन अर्बन नक्सलियों का रिमोट कंट्रोल, देश के बाहर है। और इसलिए सभी को इस अर्बन नक्सलवाद से बहुत सावधान रहना है। आज देश के युवाओं को, हर प्रोफेशनल को कांग्रेस की हकीकत को समझना बहुत ज़रूरी है।
साथियों,
जब मैं पिछली बार भाजपा मुख्यालय आया था, तो मैंने हरियाणा से मिले आशीर्वाद पर आपसे बात की थी। तब हमें गुरूग्राम जैसे शहरी क्षेत्र के लोगों ने भी अपना आशीर्वाद दिया था। अब आज मुंबई ने, पुणे ने, नागपुर ने, महाराष्ट्र के ऐसे बड़े शहरों ने अपनी स्पष्ट राय रखी है। शहरी क्षेत्रों के गरीब हों, शहरी क्षेत्रों के मिडिल क्लास हो, हर किसी ने भाजपा का समर्थन किया है और एक स्पष्ट संदेश दिया है। यह संदेश है आधुनिक भारत का, विश्वस्तरीय शहरों का, हमारे महानगरों ने विकास को चुना है, आधुनिक Infrastructure को चुना है। और सबसे बड़ी बात, उन्होंने विकास में रोडे अटकाने वाली राजनीति को नकार दिया है। आज बीजेपी हमारे शहरों में ग्लोबल स्टैंडर्ड के इंफ्रास्ट्रक्चर बनाने के लिए लगातार काम कर रही है। चाहे मेट्रो नेटवर्क का विस्तार हो, आधुनिक इलेक्ट्रिक बसे हों, कोस्टल रोड और समृद्धि महामार्ग जैसे शानदार प्रोजेक्ट्स हों, एयरपोर्ट्स का आधुनिकीकरण हो, शहरों को स्वच्छ बनाने की मुहिम हो, इन सभी पर बीजेपी का बहुत ज्यादा जोर है। आज का शहरी भारत ईज़ ऑफ़ लिविंग चाहता है। और इन सब के लिये उसका भरोसा बीजेपी पर है, एनडीए पर है।
साथियों,
आज बीजेपी देश के युवाओं को नए-नए सेक्टर्स में अवसर देने का प्रयास कर रही है। हमारी नई पीढ़ी इनोवेशन और स्टार्टअप के लिए माहौल चाहती है। बीजेपी इसे ध्यान में रखकर नीतियां बना रही है, निर्णय ले रही है। हमारा मानना है कि भारत के शहर विकास के इंजन हैं। शहरी विकास से गांवों को भी ताकत मिलती है। आधुनिक शहर नए अवसर पैदा करते हैं। हमारा लक्ष्य है कि हमारे शहर दुनिया के सर्वश्रेष्ठ शहरों की श्रेणी में आएं और बीजेपी, एनडीए सरकारें, इसी लक्ष्य के साथ काम कर रही हैं।
साथियों,
मैंने लाल किले से कहा था कि मैं एक लाख ऐसे युवाओं को राजनीति में लाना चाहता हूं, जिनके परिवार का राजनीति से कोई संबंध नहीं। आज NDA के अनेक ऐसे उम्मीदवारों को मतदाताओं ने समर्थन दिया है। मैं इसे बहुत शुभ संकेत मानता हूं। चुनाव आएंगे- जाएंगे, लोकतंत्र में जय-पराजय भी चलती रहेगी। लेकिन भाजपा का, NDA का ध्येय सिर्फ चुनाव जीतने तक सीमित नहीं है, हमारा ध्येय सिर्फ सरकारें बनाने तक सीमित नहीं है। हम देश बनाने के लिए निकले हैं। हम भारत को विकसित बनाने के लिए निकले हैं। भारत का हर नागरिक, NDA का हर कार्यकर्ता, भाजपा का हर कार्यकर्ता दिन-रात इसमें जुटा है। हमारी जीत का उत्साह, हमारे इस संकल्प को और मजबूत करता है। हमारे जो प्रतिनिधि चुनकर आए हैं, वो इसी संकल्प के लिए प्रतिबद्ध हैं। हमें देश के हर परिवार का जीवन आसान बनाना है। हमें सेवक बनकर, और ये मेरे जीवन का मंत्र है। देश के हर नागरिक की सेवा करनी है। हमें उन सपनों को पूरा करना है, जो देश की आजादी के मतवालों ने, भारत के लिए देखे थे। हमें मिलकर विकसित भारत का सपना साकार करना है। सिर्फ 10 साल में हमने भारत को दुनिया की दसवीं सबसे बड़ी इकॉनॉमी से दुनिया की पांचवीं सबसे बड़ी इकॉनॉमी बना दिया है। किसी को भी लगता, अरे मोदी जी 10 से पांच पर पहुंच गया, अब तो बैठो आराम से। आराम से बैठने के लिए मैं पैदा नहीं हुआ। वो दिन दूर नहीं जब भारत दुनिया की तीसरी सबसे बड़ी अर्थव्यवस्था बनकर रहेगा। हम मिलकर आगे बढ़ेंगे, एकजुट होकर आगे बढ़ेंगे तो हर लक्ष्य पाकर रहेंगे। इसी भाव के साथ, एक हैं तो...एक हैं तो...एक हैं तो...। मैं एक बार फिर आप सभी को बहुत-बहुत बधाई देता हूं, देशवासियों को बधाई देता हूं, महाराष्ट्र के लोगों को विशेष बधाई देता हूं।