QuoteToday, be it major nations or global platforms, the confidence in India is stronger than ever: PM
QuoteThe speed of development of a Viksit Bharat is remarkable: PM
QuoteMany aspirational districts have now transformed into inspirational districts of the nation: PM
QuoteBanking the unbanked, Securing the unsecured and Funding the unfunded has been our strategy: PM
QuoteWe have transformed the fear of business into the ease of doing business: PM
QuoteIndia missed the first three industrial revolutions but is ready to move forward with the world in the fourth: PM
QuoteIn India's journey towards becoming a Viksit Bharat, our government sees the private sector as a key partner: PM
Quote25 crore Indians have risen out of poverty in just 10 years: PM

প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী আজ নতুন দিল্লিতে ইটি নাও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫-এ ভাষণ দেন। তিনি বলেন, এই শীর্ষ সম্মেলনের গত সংস্করণের তিনি বলেছিলেন, তাঁদের সরকারের তৃতীয় দফায় ভারত নতুন গতিতে কাজ করবে। এই গতি বর্তমানে সর্বত্র প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে এবং দেশ থেকেও যথাযথ সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে বলে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিকশিত ভারত বা উন্নত ভারত গড়ে তোলার জন্য বিশেষ সহায়তা করায় তিনি ওড়িশা, মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও নতুন দিল্লির জনগণকে ধন্যবাদ জানান। উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে দেশের জনগণ কীভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে, এটি তারই পরিচায়ক বলে তিনি মন্তব্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বড় দেশ হোক বা আন্তর্জাতিক মঞ্চ সর্বত্রই ভারতের ওপর আস্থা আরও মজবুত হয়েছে’। প্রধানমন্ত্রী গতকালই ফ্রান্স এবং আমেরিকা সফর থেকে দেশে ফিরেছেন। তিনি আরও বলেন, এই চিন্তাভাবনা প্যারিসের এআই অ্যাকশন শীর্ষ সম্মেলনে প্রতিফলিত হয়েছে। শ্রী মোদী বলেন, “বর্তমান ভারত আন্তর্জাতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার প্রধান কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছে”। তিনি বলেন, ভারতে ২০১৪ সাল থেকে সংস্কারের নতুন বিপ্লব শুরু হয়েছে। বিগত দশকে ভারত পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে উন্নীত হয়েছে। এ থেকে বিকশিত ভারতের উন্নয়নের গতি সম্পর্কে ধারনা করা যায়। তিনি বলেন, ভারত শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভারতের মতো তরুণ দেশের জন্য এই গতি প্রয়োজনীয় ছিল এবং ভারত এই গতিকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে চলেছে।

 

|

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকার সংস্কারের পথ এড়িয়ে গেছে। কোনওরকম কঠিন ও পরিশ্রমসাধ্য কাজ করার মানসিকতা তাদের ছিলনা। কিন্তু বর্তমানে ভারতের সম্পূর্ণ আস্থার সঙ্গে সংস্কারের কাজ চলেছে। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, এর আগে দেশে কীভাবে কোনও বড় সংস্কার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে পারে তা নিয়ে খুব কম আলোচনা হত। তিনি নির্দিষ্ট করে বলেন, ঔপনিবেশিক চিন্তাভাবনার সঙ্গে জীবনধারণ করা ভারতের অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছিল। স্বাধীনতার পরেও চলছিল ব্রিটিশ যুগ। বিচার ব্যবস্থায় দেরি ও বিচার ব্যবস্থা অসম্ভবের মতো প্রচলিত কথা ছিল সে প্রসঙ্গে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এই ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাই মানুষ এ ধরনের বিষয়ের সঙ্গে এতটাই অভ্যস্থ হয়ে গিয়েছিল যে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাও উপলব্ধি করেনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভালো কিছু নিয়ে আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া হতো। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গণতন্ত্রে সদর্থক বিষয়ে আলোচনা ও বিতর্ক প্রয়োজন। কিন্তু এমন একটি মানসিকতা তৈরি করা হয়েছিল যে কোনও নেতিবাচক বিষয় ছড়িয়ে দেওয়ায় যথাযথ। এই মানসিকতা থেকে মুক্ত হওয়া জরুরি ছিল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। 

সম্প্রতি ভারতে ১৮৬০ সাল থেকে প্রচলিত দণ্ডবিধির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঔপনিবেশিক শাসনকে শক্তিশালী করা এবং ভারতীয় নাগরিকদের শাস্তি দেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত শাস্তি ব্যবস্থা ন্যায়বিচার প্রদান করতে পারেনি। অযথা এ কাজে বিলম্ব হয়েছে। ৭-৮ মাস আগে ভারতে নতুন বিচার ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পর থেকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উদাহরণ স্বরূপ এফআই করা থেকে মাত্র ১৪ দিনের মধ্যে তিনটি খুনের মামলা নিষ্পত্তি করে সাজা ঘোষণার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি নাবালক হত্যার মামলা ২০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়েছিল। গুজরাটে ৯ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে দায়ের করা একটি গণধর্ষণের মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয় ২৬ অক্টোবর। আজ আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। প্রধানমন্ত্রী অন্ধ্রপ্রদেশের আর একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেন যেখানে ৫ মাস বয়সী একটি শিশুর সঙ্গে অপরাধের জন্য অপরাধীকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে ই-প্রিজন মডিউলটি একজন ধর্ষন ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্তকরণে কীভাবে সহায়তা করেছিল সে কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে এমন অসংখ্য ঘটনা ঘটছে যেখানে মানুষ সময়মতো ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।

 

|

সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে একটি বড় সংস্কারের কথা উল্লেখ করে শ্রী মোদী রাষ্ট্রসংঘের একটি গবেষণার কথা বলেন। তিনি বলেন, একটি দেশে যথাযথ সম্পত্তির অধিকারের অভাব এক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাপি লক্ষ লক্ষ মানুষ বৈধ সম্পত্তির নথিপত্রের অভাব জনিত সমস্যার সম্মুখীন। সম্পত্তির অধিকার থাকলে দেশে দারিদ্র হ্রাসে সহায়তা পাওয়া যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকার এই জটিলতাগুলি সম্পর্কে জানলেও এ ধরনের চ্যালেঞ্জপূর্ণ কাজগুলি এড়িয়ে চলে। শ্রী মোদী বলেন, দেশে স্বামীত্ব যোজনা চালু করার পর ৩ লক্ষেরও বেশি গ্রামে ড্রোনের সাহায্যে জমি জরিপ করা হয়েছিল। ২ কোটি ২৫ লক্ষের বেশি মানুষ সম্পত্তির কার্ড পেয়েছেন এবং এই যোজনার ফলে ১০০ লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তি উন্মোচিত হয়েছে। এই সম্পত্তি আগে ছিল, কিন্তু সম্পত্তির অধিকারের অভাবের কারনে অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজে তা ব্যবহার করা যাচ্ছিল না। শ্রী মোদী বলেন, সম্পত্তির অধিকারের অভাবে গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পাচ্ছিলেন না। কিন্তু বর্তমানে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়েছে। স্বামীত্ব যোজনার সম্পত্তি কার্ড থেকে মানুষ কীভাবে উপকৃত হন, সে প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রাজস্থানের এক মহিলার সঙ্গে তাঁর সাম্প্রতিক কথপোকথন সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এই মহিলা এই স্বামীত্ব প্রকল্পের আওতায় সম্পত্তি কার্ড পেয়েছেন। কার্ড পাওয়ার পর তিনি ব্যাঙ্ক থেকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ পান। সেই টাকা দিয়ে একটি দোকান শুরু করেছেন এবং সেখান থেকে আসা আয় বর্তমানে তাঁর সন্তানদের উচ্চশিক্ষার জন্য ব্যয় করা হচ্ছে। তিনি অন্য এক গ্রামে এক ব্যক্তির উদাহরণ দেন যিনি সম্পত্তি কার্ড ব্যবহার করে ব্যাঙ্ক থেকে ৪ লক্ষ ৫০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে পরিবহনের ব্যবসা শুরু করেছেন। একজন কৃষক তাঁর জমিতে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা প্রয়োগের জন্য সম্পত্তি কার্ডের বিনিময়ে যে ঋণ নিয়েছিলেন, সেকথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এ ধরনের নানা উদাহরণ দিয়ে বলেন, বিভিন্ন গ্রামের জনগণ ও দরিদ্ররা এই সংস্কারের ফলে আয়ের নতুন পথ খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেন, এ ধরনের সংস্কার কর্মদক্ষতা ও রূপান্তরের বাস্তব গল্ব। এগুলি সাধারণত সংবাদপত্র বা টিভি চ্যানেলের শিরোনামে জায়গা পায়না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের অসংখ্য জেলা যথাযথ প্রশাসনিক কারনে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। তিনি বলেন এই জেলাগুলির উন্নয়নের মনোযোগ দেওয়ার পরিবর্তে তাদেরকে পিছিয়ে পড়া জেলা হিসেবে চিহ্নিত করে নিজেদের ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। কেউই তাদের সমস্য সমাধানে আগ্রহী ছিল না। সরকারি কর্মকর্তাদের শাস্তিমূলক নিয়োগ হিসেবে এইসব জায়গায় পাঠানো হত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ১০০টিরও বেশি জেলাকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলা হিসেবে ঘোষণা করে এই পদ্ধতির পরিবর্তন করেছি,’। তৃণমূল স্তরে শাসনব্যবস্থা উন্নত করার জন্য তরুণ কর্মকর্তাদের এই জেলাগুলিতে পাঠানো হয়। তাঁরা এই জেলাগুলি কোন ক্ষেত্রে পিছিয়ে তা চিহ্নিত করে মিশন মোডে বিভিন্ন ফ্ল্যাগশিপ সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “বর্তমানে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলাগুলির বেশ কয়েকটি অনুপ্রেরণামূলক জেলা হয়ে উঠেছে।” উদাহরণ দিয়ে শ্রী মোদী বলেন, ২০১৮ সালে আসামের বরপেটাতে মাত্র ২৬ শতাংশ বিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত যথাযথ ছিল। বর্তমানে তা ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। তিনি আরও বলেন, বিহারের বেগুসরাইতে গর্ভবতী মহিলাদের পুষ্টির হার ছিল ২১ শতাংশ এবং উত্তরপ্রদেশের চান্দৌলিতে এই হার ছিল ১৪ শতাংশ। বর্তমানে উভয় জেলায় ১০০ শতাংশ পুষ্টি হার অর্জন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শিশুদের টিকাকরণ অভিযানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের শ্রাবস্তীতে এই হার ৪৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৮৬ শতাংশ হয়েছে যেখানে তামিলনাড়ুর রামানাথপুরমে এই হার ৬৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৩ শতাংশ। দেশের ৫০০টি ব্লককে এখন উচ্চাকাঙ্ক্ষী ব্লক হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং এই জেলাগুলি দ্রুতগতিতে কাজ করে চলেছে।

 

|

শীর্ষ সম্মেলনে শিল্প নেতাদের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১০ বছরে এক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। এক দশক আগেও ভারতের ব্যাঙ্কগুলি সঙ্কটের মধ্যে ছিল। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। লক্ষ লক্ষ মানুষ ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বাইরে ছিলেন। তিনি বলেন, “ভারত ঋণদানের ক্ষেত্রে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জের দেশগুলির মধ্যে একটি ছিল। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করার জন্য সরকারি কৌশল বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে।” প্রতিটি গ্রামে এখন ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে একটি ব্যাঙ্কের শাখা রয়েছে। তিনি মুদ্রা যোজনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, পুরনো ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার আওতায় ঋণ পাননি এমন ব্যক্তিদের সরকার ৩২ লক্ষ কোটি টাকা প্রদান করেছে। বর্তমানে উন্নত ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার জন্য ক্ষুদ্র, মাঝারি ও অতিক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ঋণ অনেক সহজ হয়েছে। এমনকি রাস্তার বিক্রেতারাও সহজে ঋণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। কৃষকদের প্রদেয় ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিপুল পরিমাণ ঋণ প্রদান করায় ব্যাঙ্কগুলির মুনাফা বাড়ছে। ১০ বছর আগে যখন বিপুল পরিমাণ ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে লোকসানের খবর সংবাদপত্রে প্রকাশিত হত, তার তুলনায় বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ব্যাঙ্কগুলি ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করে রেকর্ড গড়েছে। এই পরিবর্তন কেবলমাত্র সংবাদের শিরোনামে আসার জন্য পরিবর্তন নয়, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার সংস্কার একটি পদ্ধতিগত পরিবর্তন। 

প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “গত দশকে আমাদের সরকার ব্যবসায়ীদের ভয়কে ব্যবসায়ীদের সুবিধাতে রূপান্তর করেছে।” জিএসটি-র মাধ্যমে একক বৃহৎ বাজার প্রতিষ্ঠার ফলে শিল্প ক্ষেত্রে যে সুবিধা পাওয়া গেছে, প্রধানমন্ত্রী তার উল্লেখ করেন। পরিকাঠামো ক্ষেত্রে গত দশকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এর ফলে সরবরাহ খরচ কমেছে, বেড়েছে দক্ষতা। শ্রী মোদী বলেন, সমাজে সরকারি হস্তক্ষেপ কমাতে একটি নিয়ন্ত্রণমূলক কমিশনও প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।

 

|

শ্রী মোদী বলেন, ভারত ভবিষ্যতে প্রস্তুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এক উল্লেখযোগ্য রূপান্তর প্রত্যক্ষ করছে। তিনি বলেন, শিল্প বিপ্লবের সময় ভারত ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থার আওতাধীন ছিল। দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবের সময় যখন বিশ্বব্যাপি নতুন আবিষ্কার ও কারখানার সৃষ্টি হচ্ছিল তখন, ভারতের স্থানীয় শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল। কাঁচামাল দেশ থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরেও পরিস্থিতির বিশেষ কোনও পরিবর্তন হয়নি। বিশ্ব যখন কম্পিউটার বিপ্লবের দিকে এগিয়ে চলছিল, ভারতে তখন কম্পিউটার কেনার জন্য লাইসেন্স নিতে হত। প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “ভারত যদিও প্রথম তিনটি শিল্প বিপ্লব থেকে খুব বেশি লাভবান হতে পারেনি, তবে দেশ এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে প্রস্তুত।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার বেসরকারি ক্ষেত্রকে বিকশিত ভারতের যাত্রাপথে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করে।” বেসরকারি ক্ষেত্রের জন্য অনেক নতুন নতুন দিক উন্মুক্ত করা হয়েছে। মহাকাশ ক্ষেত্রে অনেক তরুণ ও স্টার্টআপ উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ড্রোন ক্ষেত্র জনগণের জন্য এতদিন বন্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা তরুণদের জন্য বিশাল সুযোগ তৈরি করেছে। বাণিজ্যিক কয়লা ক্ষেত্রটি বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। তারা নিলামে অংশ নিতে পারছেন। নিলাম ব্যবস্থার উদারীকরণ করা হয়েছে বলেও শ্রী মোদী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, দেশে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে বেসরকারি ক্ষেত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় বেসরকারি ক্ষেত্রকে উৎসাহিত করছে। সাম্প্রতিক বাজেটে বেসরকারি ক্ষেত্রে অংশগ্রহণের জন্য পারমানবিকে ক্ষেত্র উন্মোচিত করে দেওয়ার বিষয়টি এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

 

|

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান রাজনীতি কর্মক্ষমতা কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে। দেশের জনগণ স্পষ্টভাবে বলছেন যে, যেসব দল মাটির সঙ্গে যুক্ত এবং ফলাফল দিতে সক্ষম, তারাই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকবে। তিনি বলেন, সরকারকে জনগণের সমস্যার প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে। পূর্ববর্তী নীতি নির্ধারকদের সংবেদনশীলতা ও ইচ্ছাশক্তির অভাব ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। শ্রী মোদী আরও বলেন, তাঁর সরকার সংবেদনশীলতার সঙ্গে জনগণের সমস্যা বুঝতে পেরেছে এবং সেগুলি সমাধানের জন্য উৎসাহের সঙ্গে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি বিশ্বব্যাপি গবেষণার উদ্ধৃতি বলেন, গত দশকে মৌলিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান এবং ক্ষমতায়নের জন্য ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্রমুক্ত হতে পেরেছেন। বৃহৎ এই গোষ্ঠীটি নব্য মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অংশ হতে পেরেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁরা এখন প্রথম গাড়ি ও প্রথম বাড়ির স্বপ্ন দেখছেন। দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে শক্তিশালী করতে সাম্প্রতিক বাজেটে শূন্য কর সীমা ৭ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত সমগ্র মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কাজকর্মকে উৎসাহিত করবে।  সক্রিয় ও সংবেদনশীল সরকারের ফলেই এইসব সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি উন্নত ভারতের আসল ভিত্তিপ্রস্তর হল আস্থা এবং এই উপাদান প্রত্যেক নাগরিক, প্রত্যেক ব্যবসায়ী ও নেতার জন্য অপরিহার্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার নাগরিকদের মনে আস্থা জাগিয়ে তুলতে পূর্ণ শক্তিতে কাজ করছে। উদ্ভাবকদের এমন পরিবেশ প্রদান করা হচ্ছে যেখানে তাঁরা যথাযথভাবে তাঁদের চিন্তাভাবনা ও ধারনার প্রকাশ করতে পারবেন। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রকে স্থিতিশীল ও সহায়ক নীতির আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। ইটি নাও শীর্ষ সম্মেলন এই আস্থাকে আরও মজবুত করবে বলে আশাপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।  

 

Click here to read full text speech

 

 

 

 

 

 

  • Prasanth reddi March 21, 2025

    జై బీజేపీ జై మోడీజీ 🪷🪷🙏
  • Jitendra Kumar March 20, 2025

    🙏🇮🇳
  • Vinod March 16, 2025

    jab katra bhra pada haa
  • Vinod March 16, 2025

    bass chak kara karo
  • Vinod March 16, 2025

    modi app samal saktaa hoo
  • Vinod March 16, 2025

    modiji delhi kharab hoo gai haa
  • ABHAY March 15, 2025

    नमो सदैव
  • bhadrakant choudhary March 10, 2025

    जय हो
  • Vivek Kumar Gupta March 05, 2025

    नमो ..🙏🙏🙏🙏🙏
  • krishangopal sharma Bjp March 04, 2025

    मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹मोदी 🌹🙏🌹🙏🌷🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🙏🌷🙏🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹🌷🌹.......
Explore More
৭৮ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লির লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ১৫ই আগস্ট , ২০২৪

জনপ্রিয় ভাষণ

৭৮ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নয়াদিল্লির লালকেল্লার প্রাকার থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ১৫ই আগস্ট , ২০২৪

Media Coverage

"Huge opportunity": Japan delegation meets PM Modi, expressing their eagerness to invest in India
NM on the go

Nm on the go

Always be the first to hear from the PM. Get the App Now!
...
Today, India is not just a Nation of Dreams but also a Nation That Delivers: PM Modi in TV9 Summit
March 28, 2025
QuoteToday, the world's eyes are on India: PM
QuoteIndia's youth is rapidly becoming skilled and driving innovation forward: PM
Quote"India First" has become the mantra of India's foreign policy: PM
QuoteToday, India is not just participating in the world order but also contributing to shaping and securing the future: PM
QuoteIndia has given Priority to humanity over monopoly: PM
QuoteToday, India is not just a Nation of Dreams but also a Nation That Delivers: PM

श्रीमान रामेश्वर गारु जी, रामू जी, बरुन दास जी, TV9 की पूरी टीम, मैं आपके नेटवर्क के सभी दर्शकों का, यहां उपस्थित सभी महानुभावों का अभिनंदन करता हूं, इस समिट के लिए बधाई देता हूं।

TV9 नेटवर्क का विशाल रीजनल ऑडियंस है। और अब तो TV9 का एक ग्लोबल ऑडियंस भी तैयार हो रहा है। इस समिट में अनेक देशों से इंडियन डायस्पोरा के लोग विशेष तौर पर लाइव जुड़े हुए हैं। कई देशों के लोगों को मैं यहां से देख भी रहा हूं, वे लोग वहां से वेव कर रहे हैं, हो सकता है, मैं सभी को शुभकामनाएं देता हूं। मैं यहां नीचे स्क्रीन पर हिंदुस्तान के अनेक शहरों में बैठे हुए सब दर्शकों को भी उतने ही उत्साह, उमंग से देख रहा हूं, मेरी तरफ से उनका भी स्वागत है।

साथियों,

आज विश्व की दृष्टि भारत पर है, हमारे देश पर है। दुनिया में आप किसी भी देश में जाएं, वहां के लोग भारत को लेकर एक नई जिज्ञासा से भरे हुए हैं। आखिर ऐसा क्या हुआ कि जो देश 70 साल में ग्यारहवें नंबर की इकोनॉमी बना, वो महज 7-8 साल में पांचवे नंबर की इकोनॉमी बन गया? अभी IMF के नए आंकड़े सामने आए हैं। वो आंकड़े कहते हैं कि भारत, दुनिया की एकमात्र मेजर इकोनॉमी है, जिसने 10 वर्षों में अपने GDP को डबल किया है। बीते दशक में भारत ने दो लाख करोड़ डॉलर, अपनी इकोनॉमी में जोड़े हैं। GDP का डबल होना सिर्फ आंकड़ों का बदलना मात्र नहीं है। इसका impact देखिए, 25 करोड़ लोग गरीबी से बाहर निकले हैं, और ये 25 करोड़ लोग एक नियो मिडिल क्लास का हिस्सा बने हैं। ये नियो मिडिल क्लास, एक प्रकार से नई ज़िंदगी शुरु कर रहा है। ये नए सपनों के साथ आगे बढ़ रहा है, हमारी इकोनॉमी में कंट्रीब्यूट कर रहा है, और उसको वाइब्रेंट बना रहा है। आज दुनिया की सबसे बड़ी युवा आबादी हमारे भारत में है। ये युवा, तेज़ी से स्किल्ड हो रहा है, इनोवेशन को गति दे रहा है। और इन सबके बीच, भारत की फॉरेन पॉलिसी का मंत्र बन गया है- India First, एक जमाने में भारत की पॉलिसी थी, सबसे समान रूप से दूरी बनाकर चलो, Equi-Distance की पॉलिसी, आज के भारत की पॉलिसी है, सबके समान रूप से करीब होकर चलो, Equi-Closeness की पॉलिसी। दुनिया के देश भारत की ओपिनियन को, भारत के इनोवेशन को, भारत के एफर्ट्स को, जैसा महत्व आज दे रहे हैं, वैसा पहले कभी नहीं हुआ। आज दुनिया की नजर भारत पर है, आज दुनिया जानना चाहती है, What India Thinks Today.

|

साथियों,

भारत आज, वर्ल्ड ऑर्डर में सिर्फ पार्टिसिपेट ही नहीं कर रहा, बल्कि फ्यूचर को शेप और सेक्योर करने में योगदान दे रहा है। दुनिया ने ये कोरोना काल में अच्छे से अनुभव किया है। दुनिया को लगता था कि हर भारतीय तक वैक्सीन पहुंचने में ही, कई-कई साल लग जाएंगे। लेकिन भारत ने हर आशंका को गलत साबित किया। हमने अपनी वैक्सीन बनाई, हमने अपने नागरिकों का तेज़ी से वैक्सीनेशन कराया, और दुनिया के 150 से अधिक देशों तक दवाएं और वैक्सीन्स भी पहुंचाईं। आज दुनिया, और जब दुनिया संकट में थी, तब भारत की ये भावना दुनिया के कोने-कोने तक पहुंची कि हमारे संस्कार क्या हैं, हमारा तौर-तरीका क्या है।

साथियों,

अतीत में दुनिया ने देखा है कि दूसरे विश्व युद्ध के बाद जब भी कोई वैश्विक संगठन बना, उसमें कुछ देशों की ही मोनोपोली रही। भारत ने मोनोपोली नहीं बल्कि मानवता को सर्वोपरि रखा। भारत ने, 21वीं सदी के ग्लोबल इंस्टीट्यूशन्स के गठन का रास्ता बनाया, और हमने ये ध्यान रखा कि सबकी भागीदारी हो, सबका योगदान हो। जैसे प्राकृतिक आपदाओं की चुनौती है। देश कोई भी हो, इन आपदाओं से इंफ्रास्ट्रक्चर को भारी नुकसान होता है। आज ही म्यांमार में जो भूकंप आया है, आप टीवी पर देखें तो बहुत बड़ी-बड़ी इमारतें ध्वस्त हो रही हैं, ब्रिज टूट रहे हैं। और इसलिए भारत ने Coalition for Disaster Resilient Infrastructure - CDRI नाम से एक वैश्विक नया संगठन बनाने की पहल की। ये सिर्फ एक संगठन नहीं, बल्कि दुनिया को प्राकृतिक आपदाओं के लिए तैयार करने का संकल्प है। भारत का प्रयास है, प्राकृतिक आपदा से, पुल, सड़कें, बिल्डिंग्स, पावर ग्रिड, ऐसा हर इंफ्रास्ट्रक्चर सुरक्षित रहे, सुरक्षित निर्माण हो।

साथियों,

भविष्य की चुनौतियों से निपटने के लिए हर देश का मिलकर काम करना बहुत जरूरी है। ऐसी ही एक चुनौती है, हमारे एनर्जी रिसोर्सेस की। इसलिए पूरी दुनिया की चिंता करते हुए भारत ने International Solar Alliance (ISA) का समाधान दिया है। ताकि छोटे से छोटा देश भी सस्टेनबल एनर्जी का लाभ उठा सके। इससे क्लाइमेट पर तो पॉजिटिव असर होगा ही, ये ग्लोबल साउथ के देशों की एनर्जी नीड्स को भी सिक्योर करेगा। और आप सबको ये जानकर गर्व होगा कि भारत के इस प्रयास के साथ, आज दुनिया के सौ से अधिक देश जुड़ चुके हैं।

साथियों,

बीते कुछ समय से दुनिया, ग्लोबल ट्रेड में असंतुलन और लॉजिस्टिक्स से जुड़ी challenges का सामना कर रही है। इन चुनौतियों से निपटने के लिए भी भारत ने दुनिया के साथ मिलकर नए प्रयास शुरु किए हैं। India–Middle East–Europe Economic Corridor (IMEC), ऐसा ही एक महत्वाकांक्षी प्रोजेक्ट है। ये प्रोजेक्ट, कॉमर्स और कनेक्टिविटी के माध्यम से एशिया, यूरोप और मिडिल ईस्ट को जोड़ेगा। इससे आर्थिक संभावनाएं तो बढ़ेंगी ही, दुनिया को अल्टरनेटिव ट्रेड रूट्स भी मिलेंगे। इससे ग्लोबल सप्लाई चेन भी और मजबूत होगी।

|

साथियों,

ग्लोबल सिस्टम्स को, अधिक पार्टिसिपेटिव, अधिक डेमोक्रेटिक बनाने के लिए भी भारत ने अनेक कदम उठाए हैं। और यहीं, यहीं पर ही भारत मंडपम में जी-20 समिट हुई थी। उसमें अफ्रीकन यूनियन को जी-20 का परमानेंट मेंबर बनाया गया है। ये बहुत बड़ा ऐतिहासिक कदम था। इसकी मांग लंबे समय से हो रही थी, जो भारत की प्रेसीडेंसी में पूरी हुई। आज ग्लोबल डिसीजन मेकिंग इंस्टीट्यूशन्स में भारत, ग्लोबल साउथ के देशों की आवाज़ बन रहा है। International Yoga Day, WHO का ग्लोबल सेंटर फॉर ट्रेडिशनल मेडिसिन, आर्टिफिशियल इंटेलीजेंस के लिए ग्लोबल फ्रेमवर्क, ऐसे कितने ही क्षेत्रों में भारत के प्रयासों ने नए वर्ल्ड ऑर्डर में अपनी मजबूत उपस्थिति दर्ज कराई है, और ये तो अभी शुरूआत है, ग्लोबल प्लेटफॉर्म पर भारत का सामर्थ्य नई ऊंचाई की तरफ बढ़ रहा है।

साथियों,

21वीं सदी के 25 साल बीत चुके हैं। इन 25 सालों में 11 साल हमारी सरकार ने देश की सेवा की है। और जब हम What India Thinks Today उससे जुड़ा सवाल उठाते हैं, तो हमें ये भी देखना होगा कि Past में क्या सवाल थे, क्या जवाब थे। इससे TV9 के विशाल दर्शक समूह को भी अंदाजा होगा कि कैसे हम, निर्भरता से आत्मनिर्भरता तक, Aspirations से Achievement तक, Desperation से Development तक पहुंचे हैं। आप याद करिए, एक दशक पहले, गांव में जब टॉयलेट का सवाल आता था, तो माताओं-बहनों के पास रात ढलने के बाद और भोर होने से पहले का ही जवाब होता था। आज उसी सवाल का जवाब स्वच्छ भारत मिशन से मिलता है। 2013 में जब कोई इलाज की बात करता था, तो महंगे इलाज की चर्चा होती थी। आज उसी सवाल का समाधान आयुष्मान भारत में नजर आता है। 2013 में किसी गरीब की रसोई की बात होती थी, तो धुएं की तस्वीर सामने आती थी। आज उसी समस्या का समाधान उज्ज्वला योजना में दिखता है। 2013 में महिलाओं से बैंक खाते के बारे में पूछा जाता था, तो वो चुप्पी साध लेती थीं। आज जनधन योजना के कारण, 30 करोड़ से ज्यादा बहनों का अपना बैंक अकाउंट है। 2013 में पीने के पानी के लिए कुएं और तालाबों तक जाने की मजबूरी थी। आज उसी मजबूरी का हल हर घर नल से जल योजना में मिल रहा है। यानि सिर्फ दशक नहीं बदला, बल्कि लोगों की ज़िंदगी बदली है। और दुनिया भी इस बात को नोट कर रही है, भारत के डेवलपमेंट मॉडल को स्वीकार रही है। आज भारत सिर्फ Nation of Dreams नहीं, बल्कि Nation That Delivers भी है।

साथियों,

जब कोई देश, अपने नागरिकों की सुविधा और समय को महत्व देता है, तब उस देश का समय भी बदलता है। यही आज हम भारत में अनुभव कर रहे हैं। मैं आपको एक उदाहरण देता हूं। पहले पासपोर्ट बनवाना कितना बड़ा काम था, ये आप जानते हैं। लंबी वेटिंग, बहुत सारे कॉम्प्लेक्स डॉक्यूमेंटेशन का प्रोसेस, अक्सर राज्यों की राजधानी में ही पासपोर्ट केंद्र होते थे, छोटे शहरों के लोगों को पासपोर्ट बनवाना होता था, तो वो एक-दो दिन कहीं ठहरने का इंतजाम करके चलते थे, अब वो हालात पूरी तरह बदल गया है, एक आंकड़े पर आप ध्यान दीजिए, पहले देश में सिर्फ 77 पासपोर्ट सेवा केंद्र थे, आज इनकी संख्या 550 से ज्यादा हो गई है। पहले पासपोर्ट बनवाने में, और मैं 2013 के पहले की बात कर रहा हूं, मैं पिछले शताब्दी की बात नहीं कर रहा हूं, पासपोर्ट बनवाने में जो वेटिंग टाइम 50 दिन तक होता था, वो अब 5-6 दिन तक सिमट गया है।

साथियों,

ऐसा ही ट्रांसफॉर्मेशन हमने बैंकिंग इंफ्रास्ट्रक्चर में भी देखा है। हमारे देश में 50-60 साल पहले बैंकों का नेशनलाइजेशन किया गया, ये कहकर कि इससे लोगों को बैंकिंग सुविधा सुलभ होगी। इस दावे की सच्चाई हम जानते हैं। हालत ये थी कि लाखों गांवों में बैंकिंग की कोई सुविधा ही नहीं थी। हमने इस स्थिति को भी बदला है। ऑनलाइन बैंकिंग तो हर घर में पहुंचाई है, आज देश के हर 5 किलोमीटर के दायरे में कोई न कोई बैंकिंग टच प्वाइंट जरूर है। और हमने सिर्फ बैंकिंग इंफ्रास्ट्रक्चर का ही दायरा नहीं बढ़ाया, बल्कि बैंकिंग सिस्टम को भी मजबूत किया। आज बैंकों का NPA बहुत कम हो गया है। आज बैंकों का प्रॉफिट, एक लाख 40 हज़ार करोड़ रुपए के नए रिकॉर्ड को पार कर चुका है। और इतना ही नहीं, जिन लोगों ने जनता को लूटा है, उनको भी अब लूटा हुआ धन लौटाना पड़ रहा है। जिस ED को दिन-रात गालियां दी जा रही है, ED ने 22 हज़ार करोड़ रुपए से अधिक वसूले हैं। ये पैसा, कानूनी तरीके से उन पीड़ितों तक वापिस पहुंचाया जा रहा है, जिनसे ये पैसा लूटा गया था।

साथियों,

Efficiency से गवर्नमेंट Effective होती है। कम समय में ज्यादा काम हो, कम रिसोर्सेज़ में अधिक काम हो, फिजूलखर्ची ना हो, रेड टेप के बजाय रेड कार्पेट पर बल हो, जब कोई सरकार ये करती है, तो समझिए कि वो देश के संसाधनों को रिस्पेक्ट दे रही है। और पिछले 11 साल से ये हमारी सरकार की बड़ी प्राथमिकता रहा है। मैं कुछ उदाहरणों के साथ अपनी बात बताऊंगा।

|

साथियों,

अतीत में हमने देखा है कि सरकारें कैसे ज्यादा से ज्यादा लोगों को मिनिस्ट्रीज में accommodate करने की कोशिश करती थीं। लेकिन हमारी सरकार ने अपने पहले कार्यकाल में ही कई मंत्रालयों का विलय कर दिया। आप सोचिए, Urban Development अलग मंत्रालय था और Housing and Urban Poverty Alleviation अलग मंत्रालय था, हमने दोनों को मर्ज करके Housing and Urban Affairs मंत्रालय बना दिया। इसी तरह, मिनिस्ट्री ऑफ ओवरसीज़ अफेयर्स अलग था, विदेश मंत्रालय अलग था, हमने इन दोनों को भी एक साथ जोड़ दिया, पहले जल संसाधन, नदी विकास मंत्रालय अलग था, और पेयजल मंत्रालय अलग था, हमने इन्हें भी जोड़कर जलशक्ति मंत्रालय बना दिया। हमने राजनीतिक मजबूरी के बजाय, देश की priorities और देश के resources को आगे रखा।

साथियों,

हमारी सरकार ने रूल्स और रेगुलेशन्स को भी कम किया, उन्हें आसान बनाया। करीब 1500 ऐसे कानून थे, जो समय के साथ अपना महत्व खो चुके थे। उनको हमारी सरकार ने खत्म किया। करीब 40 हज़ार, compliances को हटाया गया। ऐसे कदमों से दो फायदे हुए, एक तो जनता को harassment से मुक्ति मिली, और दूसरा, सरकारी मशीनरी की एनर्जी भी बची। एक और Example GST का है। 30 से ज्यादा टैक्सेज़ को मिलाकर एक टैक्स बना दिया गया है। इसको process के, documentation के हिसाब से देखें तो कितनी बड़ी बचत हुई है।

साथियों,

सरकारी खरीद में पहले कितनी फिजूलखर्ची होती थी, कितना करप्शन होता था, ये मीडिया के आप लोग आए दिन रिपोर्ट करते थे। हमने, GeM यानि गवर्नमेंट ई-मार्केटप्लेस प्लेटफॉर्म बनाया। अब सरकारी डिपार्टमेंट, इस प्लेटफॉर्म पर अपनी जरूरतें बताते हैं, इसी पर वेंडर बोली लगाते हैं और फिर ऑर्डर दिया जाता है। इसके कारण, भ्रष्टाचार की गुंजाइश कम हुई है, और सरकार को एक लाख करोड़ रुपए से अधिक की बचत भी हुई है। डायरेक्ट बेनिफिट ट्रांसफर- DBT की जो व्यवस्था भारत ने बनाई है, उसकी तो दुनिया में चर्चा है। DBT की वजह से टैक्स पेयर्स के 3 लाख करोड़ रुपए से ज्यादा, गलत हाथों में जाने से बचे हैं। 10 करोड़ से ज्यादा फर्ज़ी लाभार्थी, जिनका जन्म भी नहीं हुआ था, जो सरकारी योजनाओं का फायदा ले रहे थे, ऐसे फर्जी नामों को भी हमने कागजों से हटाया है।

साथियों,

 

हमारी सरकार टैक्स की पाई-पाई का ईमानदारी से उपयोग करती है, और टैक्सपेयर का भी सम्मान करती है, सरकार ने टैक्स सिस्टम को टैक्सपेयर फ्रेंडली बनाया है। आज ITR फाइलिंग का प्रोसेस पहले से कहीं ज्यादा सरल और तेज़ है। पहले सीए की मदद के बिना, ITR फाइल करना मुश्किल होता था। आज आप कुछ ही समय के भीतर खुद ही ऑनलाइन ITR फाइल कर पा रहे हैं। और रिटर्न फाइल करने के कुछ ही दिनों में रिफंड आपके अकाउंट में भी आ जाता है। फेसलेस असेसमेंट स्कीम भी टैक्सपेयर्स को परेशानियों से बचा रही है। गवर्नेंस में efficiency से जुड़े ऐसे अनेक रिफॉर्म्स ने दुनिया को एक नया गवर्नेंस मॉडल दिया है।

साथियों,

पिछले 10-11 साल में भारत हर सेक्टर में बदला है, हर क्षेत्र में आगे बढ़ा है। और एक बड़ा बदलाव सोच का आया है। आज़ादी के बाद के अनेक दशकों तक, भारत में ऐसी सोच को बढ़ावा दिया गया, जिसमें सिर्फ विदेशी को ही बेहतर माना गया। दुकान में भी कुछ खरीदने जाओ, तो दुकानदार के पहले बोल यही होते थे – भाई साहब लीजिए ना, ये तो इंपोर्टेड है ! आज स्थिति बदल गई है। आज लोग सामने से पूछते हैं- भाई, मेड इन इंडिया है या नहीं है?

साथियों,

आज हम भारत की मैन्युफैक्चरिंग एक्सीलेंस का एक नया रूप देख रहे हैं। अभी 3-4 दिन पहले ही एक न्यूज आई है कि भारत ने अपनी पहली MRI मशीन बना ली है। अब सोचिए, इतने दशकों तक हमारे यहां स्वदेशी MRI मशीन ही नहीं थी। अब मेड इन इंडिया MRI मशीन होगी तो जांच की कीमत भी बहुत कम हो जाएगी।

|

साथियों,

आत्मनिर्भर भारत और मेक इन इंडिया अभियान ने, देश के मैन्युफैक्चरिंग सेक्टर को एक नई ऊर्जा दी है। पहले दुनिया भारत को ग्लोबल मार्केट कहती थी, आज वही दुनिया, भारत को एक बड़े Manufacturing Hub के रूप में देख रही है। ये सक्सेस कितनी बड़ी है, इसके उदाहरण आपको हर सेक्टर में मिलेंगे। जैसे हमारी मोबाइल फोन इंडस्ट्री है। 2014-15 में हमारा एक्सपोर्ट, वन बिलियन डॉलर तक भी नहीं था। लेकिन एक दशक में, हम ट्वेंटी बिलियन डॉलर के फिगर से भी आगे निकल चुके हैं। आज भारत ग्लोबल टेलिकॉम और नेटवर्किंग इंडस्ट्री का एक पावर सेंटर बनता जा रहा है। Automotive Sector की Success से भी आप अच्छी तरह परिचित हैं। इससे जुड़े Components के एक्सपोर्ट में भी भारत एक नई पहचान बना रहा है। पहले हम बहुत बड़ी मात्रा में मोटर-साइकल पार्ट्स इंपोर्ट करते थे। लेकिन आज भारत में बने पार्ट्स UAE और जर्मनी जैसे अनेक देशों तक पहुंच रहे हैं। सोलर एनर्जी सेक्टर ने भी सफलता के नए आयाम गढ़े हैं। हमारे सोलर सेल्स, सोलर मॉड्यूल का इंपोर्ट कम हो रहा है और एक्सपोर्ट्स 23 गुना तक बढ़ गए हैं। बीते एक दशक में हमारा डिफेंस एक्सपोर्ट भी 21 गुना बढ़ा है। ये सारी अचीवमेंट्स, देश की मैन्युफैक्चरिंग इकोनॉमी की ताकत को दिखाती है। ये दिखाती है कि भारत में कैसे हर सेक्टर में नई जॉब्स भी क्रिएट हो रही हैं।

साथियों,

TV9 की इस समिट में, विस्तार से चर्चा होगी, अनेक विषयों पर मंथन होगा। आज हम जो भी सोचेंगे, जिस भी विजन पर आगे बढ़ेंगे, वो हमारे आने वाले कल को, देश के भविष्य को डिजाइन करेगा। पिछली शताब्दी के इसी दशक में, भारत ने एक नई ऊर्जा के साथ आजादी के लिए नई यात्रा शुरू की थी। और हमने 1947 में आजादी हासिल करके भी दिखाई। अब इस दशक में हम विकसित भारत के लक्ष्य के लिए चल रहे हैं। और हमें 2047 तक विकसित भारत का सपना जरूर पूरा करना है। और जैसा मैंने लाल किले से कहा है, इसमें सबका प्रयास आवश्यक है। इस समिट का आयोजन कर, TV9 ने भी अपनी तरफ से एक positive initiative लिया है। एक बार फिर आप सभी को इस समिट की सफलता के लिए मेरी ढेर सारी शुभकामनाएं हैं।

मैं TV9 को विशेष रूप से बधाई दूंगा, क्योंकि पहले भी मीडिया हाउस समिट करते रहे हैं, लेकिन ज्यादातर एक छोटे से फाइव स्टार होटल के कमरे में, वो समिट होती थी और बोलने वाले भी वही, सुनने वाले भी वही, कमरा भी वही। TV9 ने इस परंपरा को तोड़ा और ये जो मॉडल प्लेस किया है, 2 साल के भीतर-भीतर देख लेना, सभी मीडिया हाउस को यही करना पड़ेगा। यानी TV9 Thinks Today वो बाकियों के लिए रास्ता खोल देगा। मैं इस प्रयास के लिए बहुत-बहुत अभिनंदन करता हूं, आपकी पूरी टीम को, और सबसे बड़ी खुशी की बात है कि आपने इस इवेंट को एक मीडिया हाउस की भलाई के लिए नहीं, देश की भलाई के लिए आपने उसकी रचना की। 50,000 से ज्यादा नौजवानों के साथ एक मिशन मोड में बातचीत करना, उनको जोड़ना, उनको मिशन के साथ जोड़ना और उसमें से जो बच्चे सिलेक्ट होकर के आए, उनकी आगे की ट्रेनिंग की चिंता करना, ये अपने आप में बहुत अद्भुत काम है। मैं आपको बहुत बधाई देता हूं। जिन नौजवानों से मुझे यहां फोटो निकलवाने का मौका मिला है, मुझे भी खुशी हुई कि देश के होनहार लोगों के साथ, मैं अपनी फोटो निकलवा पाया। मैं इसे अपना सौभाग्य मानता हूं दोस्तों कि आपके साथ मेरी फोटो आज निकली है। और मुझे पक्का विश्वास है कि सारी युवा पीढ़ी, जो मुझे दिख रही है, 2047 में जब देश विकसित भारत बनेगा, सबसे ज्यादा बेनिफिशियरी आप लोग हैं, क्योंकि आप उम्र के उस पड़ाव पर होंगे, जब भारत विकसित होगा, आपके लिए मौज ही मौज है। आपको बहुत-बहुत शुभकामनाएं।

धन्यवाद।